চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর হাজারীবাগে ‘প্রেমের বিবাদের জেরে’ রায়েরবাজার হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহরিয়ার শারমিন বিন্তিকে (১৪) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় মূল আসামিকে গ্রেপ্তারের পর এ তথ্য জানান রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম।
বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হাজারীবাগের হায়দার হোটেলের গলিতে বিন্তিকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত বিন্তি রায়েরবাজার হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি স্বীকার করেছে যে হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট ছিল প্রেমের সম্পর্ক। তিনি বলেন, “মেয়েটির সঙ্গে পূর্ব পরিচয় ও সম্পর্ক ছিল। এ সময় কিছু মনোমালিন্য বা দ্বন্দ্বের কারণে আসামি সন্দেহ করছিল, মেয়েটি অন্য কোনো ছেলের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক শুরু করেছে কি না। ঘটনার দিন সে মেয়েটির সঙ্গে কথা বলার সময় কিছু ছবি দেখানো হয়েছিল, যার প্রেক্ষিতে তাদের মধ্যে ঝগড়া চরম পর্যায়ে পৌঁছায়।”
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, “আসামি হত্যার প্রাথমিক পরিকল্পনা করেছিল, তবে মাঝপথে দ্বিধা ও দ্বন্দ্বের কারণে সে তা সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করতে পারেনি। যখন সে দেখল মেয়েটি তাকে পাত্তা দিচ্ছে না, তখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটায়।”
মাসুদ আলম বলেন, ঘটনার ঘটনার সাত-আট ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে রক্তমাখা গেঞ্জি ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকু উদ্ধার করা হয়। মেয়েটি নিজের মোবাইল না থাকায় মায়ের মোবাইল ব্যবহার করছিল। ঘটনার আগে কোনো হুমকি বা পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা আছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।

রাজধানীর হাজারীবাগে ‘প্রেমের বিবাদের জেরে’ রায়েরবাজার হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহরিয়ার শারমিন বিন্তিকে (১৪) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় মূল আসামিকে গ্রেপ্তারের পর এ তথ্য জানান রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম।
বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হাজারীবাগের হায়দার হোটেলের গলিতে বিন্তিকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত বিন্তি রায়েরবাজার হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি স্বীকার করেছে যে হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট ছিল প্রেমের সম্পর্ক। তিনি বলেন, “মেয়েটির সঙ্গে পূর্ব পরিচয় ও সম্পর্ক ছিল। এ সময় কিছু মনোমালিন্য বা দ্বন্দ্বের কারণে আসামি সন্দেহ করছিল, মেয়েটি অন্য কোনো ছেলের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক শুরু করেছে কি না। ঘটনার দিন সে মেয়েটির সঙ্গে কথা বলার সময় কিছু ছবি দেখানো হয়েছিল, যার প্রেক্ষিতে তাদের মধ্যে ঝগড়া চরম পর্যায়ে পৌঁছায়।”
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, “আসামি হত্যার প্রাথমিক পরিকল্পনা করেছিল, তবে মাঝপথে দ্বিধা ও দ্বন্দ্বের কারণে সে তা সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করতে পারেনি। যখন সে দেখল মেয়েটি তাকে পাত্তা দিচ্ছে না, তখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটায়।”
মাসুদ আলম বলেন, ঘটনার ঘটনার সাত-আট ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে রক্তমাখা গেঞ্জি ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকু উদ্ধার করা হয়। মেয়েটি নিজের মোবাইল না থাকায় মায়ের মোবাইল ব্যবহার করছিল। ঘটনার আগে কোনো হুমকি বা পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা আছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।