চরচা ডেস্ক

দক্ষিণ ইরানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিমান হামলায় অন্তত ৪০ জন ছাত্রী নিহত হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা এ তথ্য জানিয়েছে বলে উল্লেখ করেছে বার্তা সংস্থা আল জাজিরা। ইরানজুড়ে আমেরিকা ও ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান হামলার প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা ঘটল।
আজ শনিবার সকালে দক্ষিণ হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরের শাজারেহ তাইয়েবাহ স্কুলে এই হামলা চালানো হয়। ইরানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের বয়স ৭ থেকে ১২ বছরের মধ্যে।
ঘটনাস্থলে থাকা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, স্কুলে বিমান হামলার ফলে ভবনের ভেতরে থাকা অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েন।
হামলার সময় স্কুলটিতে ১৭০ জন ছাত্রী উপস্থিত ছিল। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে আশংকা করা হচ্ছে।

দক্ষিণ ইরানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিমান হামলায় অন্তত ৪০ জন ছাত্রী নিহত হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা এ তথ্য জানিয়েছে বলে উল্লেখ করেছে বার্তা সংস্থা আল জাজিরা। ইরানজুড়ে আমেরিকা ও ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান হামলার প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা ঘটল।
আজ শনিবার সকালে দক্ষিণ হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরের শাজারেহ তাইয়েবাহ স্কুলে এই হামলা চালানো হয়। ইরানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের বয়স ৭ থেকে ১২ বছরের মধ্যে।
ঘটনাস্থলে থাকা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, স্কুলে বিমান হামলার ফলে ভবনের ভেতরে থাকা অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েন।
হামলার সময় স্কুলটিতে ১৭০ জন ছাত্রী উপস্থিত ছিল। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে আশংকা করা হচ্ছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।