চরচা ডেস্ক

অমুসলিম বিদেশি বাসিন্দাদের জন্য মদ বিক্রির বিধিনিষেধ আরও শিথিল করেছে সৌদি আরব । এখন যেসব অমুসলিম নাগরিকের মাসিক আয় ৫০,০০০ রিয়াল (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৬ লাখ ২৯ হাজার ৩৭ টাকা) বা তার বেশি, তারা বেতন সনদ দেখিয়ে মদ কিনতে পারবেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়, রিয়াদে অবস্থিত দেশের একমাত্র মদের দোকান থেকে বিদেশি অমুসলিমরা মদ কিনতে পারবেন। গত বছর দোকানটি কেবল বিদেশি কূটনীতিকদের জন্য চালু ছিল। পরে ‘প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি’ প্রাপ্ত অমুসলিমদেরও সেখানে প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়। পরিবর্তনটি এখনও সরকারি ঘোষণার মাধ্যমে জানানো হয়নি এবং এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। রিয়াদ ছাড়াও সৌদির আরও দুইটি শহরে নতুন মদের দোকান নির্মাণের কাজ চলছে।
মদের নিয়ম ধীরে ধীরে শিথিল করা সৌদি আরবের বৃহত্তর সামাজিক সংস্কারের অংশ। ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য রিয়াদকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে এবং বিদেশি বিনিয়োগ ও দক্ষ জনশক্তি টানতে সৌদি সরকার কাজ করছে।
গত কয়েক বছরে দেশটি নারীদের গাড়ি চালানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে, জনসমক্ষে বিনোদন অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দিয়েছে, নারী-পুরুষের মেলামেশা সহজ করেছে এবং পর্যটনে উৎসাহ দিচ্ছে।

অমুসলিম বিদেশি বাসিন্দাদের জন্য মদ বিক্রির বিধিনিষেধ আরও শিথিল করেছে সৌদি আরব । এখন যেসব অমুসলিম নাগরিকের মাসিক আয় ৫০,০০০ রিয়াল (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৬ লাখ ২৯ হাজার ৩৭ টাকা) বা তার বেশি, তারা বেতন সনদ দেখিয়ে মদ কিনতে পারবেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়, রিয়াদে অবস্থিত দেশের একমাত্র মদের দোকান থেকে বিদেশি অমুসলিমরা মদ কিনতে পারবেন। গত বছর দোকানটি কেবল বিদেশি কূটনীতিকদের জন্য চালু ছিল। পরে ‘প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি’ প্রাপ্ত অমুসলিমদেরও সেখানে প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়। পরিবর্তনটি এখনও সরকারি ঘোষণার মাধ্যমে জানানো হয়নি এবং এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। রিয়াদ ছাড়াও সৌদির আরও দুইটি শহরে নতুন মদের দোকান নির্মাণের কাজ চলছে।
মদের নিয়ম ধীরে ধীরে শিথিল করা সৌদি আরবের বৃহত্তর সামাজিক সংস্কারের অংশ। ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য রিয়াদকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে এবং বিদেশি বিনিয়োগ ও দক্ষ জনশক্তি টানতে সৌদি সরকার কাজ করছে।
গত কয়েক বছরে দেশটি নারীদের গাড়ি চালানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে, জনসমক্ষে বিনোদন অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দিয়েছে, নারী-পুরুষের মেলামেশা সহজ করেছে এবং পর্যটনে উৎসাহ দিচ্ছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।