চরচা ডেস্ক

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন পেল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ (মার্কসবাদী)। নিবন্ধনের বিষয়ে গেজেট প্রকাশ হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এ কথা জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদ।
ইসি সচিব বলেন, “নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল মোট ১৪৩টি রাজনৈতিক দলকে নিয়ে। প্রথম পর্যায়েই ১২১টি দলকে নামঞ্জুর করা হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে বাছাই করা হয় ২২টি দল। এই ২২টি দলের মধ্যে ৩টি দল-এনসিপি, আম জনগণ পার্টি ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল- বাসদ (মার্কসবাদ), আমরা চূড়ান্ত করে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করি।”
ইসি সচিব আরও জানান, তিন দলের মধ্যে আম জনগণের পার্টির বিরুদ্ধে আপত্তি উঠেছে। বাকি দুই দলের বিরুদ্ধে কোনো আপত্তি পাওয়া যায়নি। তাই তাদের নিবন্ধন চূড়ান্ত করা হয়েছে।
নিবন্ধন প্রত্যাশী বাকি দলগুলোর বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, “নিবন্ধন না পাওয়া দলগুলোর মধ্যে ১৪টি দল রিভিউয়ের জন্য আবেদন করেছে।”
নিবন্ধন রিভিউয়ের সময়সীমার ব্যাপারে সচিব জানান, কাট-অফ টাইম এখনো নির্ধারিত হয়নি। তবে এটা তফসিলের আগে হতে পারে কিংবা নাও হতে পারে। যখন পর্যালোচনাগুলো শেষ হবে, তখনই বলা যাবে। অনুমান নির্ভর কথা বলা ঠিক নয়।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন পেল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ (মার্কসবাদী)। নিবন্ধনের বিষয়ে গেজেট প্রকাশ হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এ কথা জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদ।
ইসি সচিব বলেন, “নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল মোট ১৪৩টি রাজনৈতিক দলকে নিয়ে। প্রথম পর্যায়েই ১২১টি দলকে নামঞ্জুর করা হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে বাছাই করা হয় ২২টি দল। এই ২২টি দলের মধ্যে ৩টি দল-এনসিপি, আম জনগণ পার্টি ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল- বাসদ (মার্কসবাদ), আমরা চূড়ান্ত করে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করি।”
ইসি সচিব আরও জানান, তিন দলের মধ্যে আম জনগণের পার্টির বিরুদ্ধে আপত্তি উঠেছে। বাকি দুই দলের বিরুদ্ধে কোনো আপত্তি পাওয়া যায়নি। তাই তাদের নিবন্ধন চূড়ান্ত করা হয়েছে।
নিবন্ধন প্রত্যাশী বাকি দলগুলোর বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, “নিবন্ধন না পাওয়া দলগুলোর মধ্যে ১৪টি দল রিভিউয়ের জন্য আবেদন করেছে।”
নিবন্ধন রিভিউয়ের সময়সীমার ব্যাপারে সচিব জানান, কাট-অফ টাইম এখনো নির্ধারিত হয়নি। তবে এটা তফসিলের আগে হতে পারে কিংবা নাও হতে পারে। যখন পর্যালোচনাগুলো শেষ হবে, তখনই বলা যাবে। অনুমান নির্ভর কথা বলা ঠিক নয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।