যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘ধ্বংসাত্মক’ যুদ্ধ করতে ইরান প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তবে শান্তির কোনো সুযোগ যেন হাতছাড়া না হয়, সে জন্য কূটনীতির পথ খোলা রাখার পক্ষেও কথা বলেছেন তিনি।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম এনবিসি নিউজের ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এসব বলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
আরাগচি বলেন, “আপনি যদি আমাদের জিজ্ঞাসা করেন, তাহলে কূটনীতিতে ফেরার কোনো কারণ নেই। এরপরও আমি কূটনীতির চেষ্টা চালাব। কারণ, শান্তির কোনো সুযোগ আমাদের হাতছাড়া করা উচিত নয়।”
“আমরা যেমন আলোচনার জন্য প্রস্তুত, তেমনি যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্যও প্রস্তুত। আমাদের বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসনের সামনে আমরা দৃঢ়ভাবে দাঁড়াব। এমনকি এর পরিণতি যদি ধ্বংসাত্মক যুদ্ধও হয়, তবুও আমরা পিছিয়ে যাব না।”
গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রকে একটি প্রস্তাব দিয়েছেন আরাঘচি। তাতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন যদি ইরানের শর্ত মেনে নেয়, তাহলে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি আবারও খুলে দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে ওয়াশিংটনের সঙ্গে পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনায় ফিরবে তেহরান।
তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের এ প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর তিনি ইরানে আবার হামলা শুরুর কথা ভাবছেন।
এ বিষয়ে আরাঘচি বলেন, মধ্যস্থতাকারীরা এখনো তেহরানের কাছে ট্রাম্পের আনুষ্ঠানিক কোনো জবাব পৌঁছে দেননি। তিনি আরও বলেন, “আলোচনা ছাড়া এ অচলাবস্থা কাটানোর আর কোনো পথ নেই।”