চরচা ডেস্ক

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলম্বিয়ার সঙ্গে আমেরিকার উত্তেজনা তুঙ্গে পৌঁছেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অব্যাহত হুমকির মুখে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো প্রয়োজনে আবারও অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে পেত্রো বলেন, “আমি শপথ নিয়েছিলাম আর কখনো অস্ত্র ছুঁয়ে দেখব না। কিন্তু মাতৃভূমির প্রয়োজনে আমি আবারও অস্ত্র হাতে তুলে নেব।”
পেত্রো এক সময় গেরিলা যোদ্ধা ছিলেন। ১৯৮৯ সালে শান্তি চুক্তির মাধ্যমে তার দল এম-১৯ অস্ত্র সমর্পণ করেছিল। গত বছরের জানুয়ারিতে ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে পেত্রোর সঙ্গে তার বাগ্যুদ্ধ চলছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মাদুরোকে আটকের পর গত রোববার গুস্তাভো পেত্রোকে উদ্দেশ্য করে আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “পেত্রো একজন অসুস্থ মানুষ। তিনি কোকেন উৎপাদন করতে এবং তা আমেরিকায় পাচার করতে পছন্দ করেন।” এমনকি পেত্রোকে সতর্ক থাকারও হুমকি দেন তিনি।
গত কয়েক মাস ধরে ক্যারিবীয় সাগরে তথাকথিত মাদকবাহী নৌযানে হামলা চালিয়ে আসছেন মার্কিন সেনারা। তা ছাড়া ওই অঞ্চলে যুদ্ধবিমানবাহী আমেরিকার সবচেয়ে বড় রণতরি মোতায়েন করা হয়েছে।
গত শনিবার ভোররাতে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে হামলা চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নিয়ে যায় মার্কিন সেনারা। পেত্রো শুরু থেকে আমেরিকার এসব পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে আসছেন।
কোনো প্রমাণ ছাড়াই ট্রাম্পের প্রশাসন পেত্রোর ওপর মাদক পাচারের অভিযোগ এনে তার ও তার পরিবারের ওপর আর্থিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এছাড়া মাদকবিরোধী যুদ্ধে মিত্র দেশের তালিকা থেকে কলম্বিয়াকে বাদ দিয়েছে ওয়াশিংটন।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলম্বিয়ার সঙ্গে আমেরিকার উত্তেজনা তুঙ্গে পৌঁছেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অব্যাহত হুমকির মুখে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো প্রয়োজনে আবারও অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে পেত্রো বলেন, “আমি শপথ নিয়েছিলাম আর কখনো অস্ত্র ছুঁয়ে দেখব না। কিন্তু মাতৃভূমির প্রয়োজনে আমি আবারও অস্ত্র হাতে তুলে নেব।”
পেত্রো এক সময় গেরিলা যোদ্ধা ছিলেন। ১৯৮৯ সালে শান্তি চুক্তির মাধ্যমে তার দল এম-১৯ অস্ত্র সমর্পণ করেছিল। গত বছরের জানুয়ারিতে ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে পেত্রোর সঙ্গে তার বাগ্যুদ্ধ চলছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মাদুরোকে আটকের পর গত রোববার গুস্তাভো পেত্রোকে উদ্দেশ্য করে আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “পেত্রো একজন অসুস্থ মানুষ। তিনি কোকেন উৎপাদন করতে এবং তা আমেরিকায় পাচার করতে পছন্দ করেন।” এমনকি পেত্রোকে সতর্ক থাকারও হুমকি দেন তিনি।
গত কয়েক মাস ধরে ক্যারিবীয় সাগরে তথাকথিত মাদকবাহী নৌযানে হামলা চালিয়ে আসছেন মার্কিন সেনারা। তা ছাড়া ওই অঞ্চলে যুদ্ধবিমানবাহী আমেরিকার সবচেয়ে বড় রণতরি মোতায়েন করা হয়েছে।
গত শনিবার ভোররাতে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে হামলা চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নিয়ে যায় মার্কিন সেনারা। পেত্রো শুরু থেকে আমেরিকার এসব পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে আসছেন।
কোনো প্রমাণ ছাড়াই ট্রাম্পের প্রশাসন পেত্রোর ওপর মাদক পাচারের অভিযোগ এনে তার ও তার পরিবারের ওপর আর্থিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এছাড়া মাদকবিরোধী যুদ্ধে মিত্র দেশের তালিকা থেকে কলম্বিয়াকে বাদ দিয়েছে ওয়াশিংটন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।