চরচা ডেস্ক

নিকোলাস মাদুরো আটক এবং দেশত্যাগের খবরের পর ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। মাদুরো পরবর্তী যুগে দেশটিতে কারা ক্ষমতার কেন্দ্রে আসতে পারেন, তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। শান্তিতে নোবেলজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো ক্ষমতায় আসবেন কিনা–তা নিয়েও চলছে আলোচনা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন ও ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনটি প্রধান নাম এখন আলোচনার শীর্ষে। এর মধ্যে দেলসি রদ্রিগেজ বর্তমানে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি বেসামরিক প্রশাসন ও অর্থনৈতিক খাতে বেশ শক্তিশালী। তবে সেনাবাহিনীতে তার প্রভাব অন্য দুই নেতার তুলনায় কম।
আলোচনায় থাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেয়ো চ্যাভিজমো (হুগো চাভেজের মতাদর্শ) আন্দোলনের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা। সশস্ত্র বাহিনীর একটি বড় অংশের ওপর তার ব্যাপক নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
আর ভ্লাদিমির পাদ্রিনো বর্তমানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী। সামরিক বাহিনীর আনুগত্য বজায় রাখতে তার ভূমিকা হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ডোনাল্ড ট্রাম্প মাদুরোর বিদায়ে সন্তুষ্ট হলেও, মাদুরোবিহীন চ্যাভিজম টিকে থাকবে কি না–তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। দেশটির সামরিক বাহিনী যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তবে এই তিনজনের মধ্যে কেউ একজন ক্ষমতা দখল করতে পারেন।
আল জাজিরার তথ্যমতে, ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার চাবিকাঠি সবসময় সেনাবাহিনীর হাতেই থাকে।
মারিয়া কোরিনা মাচাদোর নেতৃত্বাধীন বিরোধী দল ২০২৪ সালের জুলাইয়ের নির্বাচনে জয়ের দাবি জানিয়ে আসছে। তারা কেবল মাদুরোর বিদায় নয়, বরং পুরো ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন চায়। তবে এবারের হামলার পর এই দল এখনো কিছু বলেনি।
মাদুরোর সহযোগীরা ক্ষমতায় থাকলে বিরোধী পক্ষ তা মেনে নেবে না, যা দেশটিকে নতুন করে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

নিকোলাস মাদুরো আটক এবং দেশত্যাগের খবরের পর ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। মাদুরো পরবর্তী যুগে দেশটিতে কারা ক্ষমতার কেন্দ্রে আসতে পারেন, তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। শান্তিতে নোবেলজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো ক্ষমতায় আসবেন কিনা–তা নিয়েও চলছে আলোচনা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন ও ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনটি প্রধান নাম এখন আলোচনার শীর্ষে। এর মধ্যে দেলসি রদ্রিগেজ বর্তমানে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি বেসামরিক প্রশাসন ও অর্থনৈতিক খাতে বেশ শক্তিশালী। তবে সেনাবাহিনীতে তার প্রভাব অন্য দুই নেতার তুলনায় কম।
আলোচনায় থাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেয়ো চ্যাভিজমো (হুগো চাভেজের মতাদর্শ) আন্দোলনের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা। সশস্ত্র বাহিনীর একটি বড় অংশের ওপর তার ব্যাপক নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
আর ভ্লাদিমির পাদ্রিনো বর্তমানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী। সামরিক বাহিনীর আনুগত্য বজায় রাখতে তার ভূমিকা হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ডোনাল্ড ট্রাম্প মাদুরোর বিদায়ে সন্তুষ্ট হলেও, মাদুরোবিহীন চ্যাভিজম টিকে থাকবে কি না–তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। দেশটির সামরিক বাহিনী যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তবে এই তিনজনের মধ্যে কেউ একজন ক্ষমতা দখল করতে পারেন।
আল জাজিরার তথ্যমতে, ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার চাবিকাঠি সবসময় সেনাবাহিনীর হাতেই থাকে।
মারিয়া কোরিনা মাচাদোর নেতৃত্বাধীন বিরোধী দল ২০২৪ সালের জুলাইয়ের নির্বাচনে জয়ের দাবি জানিয়ে আসছে। তারা কেবল মাদুরোর বিদায় নয়, বরং পুরো ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন চায়। তবে এবারের হামলার পর এই দল এখনো কিছু বলেনি।
মাদুরোর সহযোগীরা ক্ষমতায় থাকলে বিরোধী পক্ষ তা মেনে নেবে না, যা দেশটিকে নতুন করে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।