চরচা ডেস্ক

পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ হয়ে বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন স্ত্রী রীনা বেগম ও ছেলে ফরহাদ। ঘটনাটি ঘটেছে নরসিংদী সদর উপজেলার পশ্চিম ঘোড়াদিয়া ইউনিয়নে।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গতকাল রিনা বেগমের শরীরের ৫৮ শতাংশ এবং ছেলে ফরহাদের শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থায় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
স্বামী ফরিদ মিয়া গত বুধবার রাত ৩টার দিকে স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারের ছয়জনের শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যান। ফরিদ মিয়া পেশায় একজন পিকআপ চালক।
নিহতদের মরদেহ বার্ন ইনস্টিটিউটের মর্গের হিমঘরে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হবে। বিষয়টি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শককে জানানো হয়েছে।

পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ হয়ে বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন স্ত্রী রীনা বেগম ও ছেলে ফরহাদ। ঘটনাটি ঘটেছে নরসিংদী সদর উপজেলার পশ্চিম ঘোড়াদিয়া ইউনিয়নে।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গতকাল রিনা বেগমের শরীরের ৫৮ শতাংশ এবং ছেলে ফরহাদের শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থায় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
স্বামী ফরিদ মিয়া গত বুধবার রাত ৩টার দিকে স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারের ছয়জনের শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যান। ফরিদ মিয়া পেশায় একজন পিকআপ চালক।
নিহতদের মরদেহ বার্ন ইনস্টিটিউটের মর্গের হিমঘরে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হবে। বিষয়টি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শককে জানানো হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।