চরচা ডেস্ক

ইরানে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে প্রথমবারের মতো একজন বিক্ষোভকারীকে ফাঁসি দিতে যাচ্ছে ইরান। আমেরিকার সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ এক প্রতিবেদনে জানায়, গত সপ্তাহে কারাজ শহরে বিক্ষোভ চলাকালীন এরফান সুলতানি নামে এক বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো।
মানবাধিকার সংস্থা ‘ইরান হিউম্যান রাইটস’ এবং ‘ন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর ডেমোক্রেসি ইন ইরান’ জানিয়েছে, আগামীকাল বুধবার তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা রয়েছে।
মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, এরফানের পরিবারকে জানানো হয়েছে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং বুধবারই সেই সাজা কার্যকর করা হবে।
আইএইচআরএনজিও-এর পরিচালক মাহমুদ আমিরি-মোগাদ্দাম এক বিবৃতিতে বলেন, “সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইসলামিক রিপাবলিক কর্তৃক সাধারণ প্রতিবাদকারীদের ব্যাপক হারে হত্যা করার ঘটনাটি আশির দশকে এই শাসনের অপরাধগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়, যা মূলত মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে স্বীকৃত।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “বিক্ষোভকারীদের গণহারে এবং বিচার বহির্ভূতভাবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত গুরুতর।”
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভ নিয়ে তেহরানকে সতর্ক করে বলেন, “ইরান সরকারের গুলি না চালানোই ভালো, কারণ তারা গুলি করলে আমরাও গুলি শুরু করব।”
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, ইরানের ভেঙে পড়া অর্থনীতি নিয়ে শুরু হওয়া বিক্ষোভে গত কয়েক সপ্তাহে দশ হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা এখন সরাসরি শাসনের পরিবর্তন দাবি করছে। ইরান সরকার বলছে, আন্দোলনে ২ হাজার মানুষ মারা গেছে।

ইরানে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে প্রথমবারের মতো একজন বিক্ষোভকারীকে ফাঁসি দিতে যাচ্ছে ইরান। আমেরিকার সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ এক প্রতিবেদনে জানায়, গত সপ্তাহে কারাজ শহরে বিক্ষোভ চলাকালীন এরফান সুলতানি নামে এক বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো।
মানবাধিকার সংস্থা ‘ইরান হিউম্যান রাইটস’ এবং ‘ন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর ডেমোক্রেসি ইন ইরান’ জানিয়েছে, আগামীকাল বুধবার তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা রয়েছে।
মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, এরফানের পরিবারকে জানানো হয়েছে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং বুধবারই সেই সাজা কার্যকর করা হবে।
আইএইচআরএনজিও-এর পরিচালক মাহমুদ আমিরি-মোগাদ্দাম এক বিবৃতিতে বলেন, “সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইসলামিক রিপাবলিক কর্তৃক সাধারণ প্রতিবাদকারীদের ব্যাপক হারে হত্যা করার ঘটনাটি আশির দশকে এই শাসনের অপরাধগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়, যা মূলত মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে স্বীকৃত।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “বিক্ষোভকারীদের গণহারে এবং বিচার বহির্ভূতভাবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত গুরুতর।”
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভ নিয়ে তেহরানকে সতর্ক করে বলেন, “ইরান সরকারের গুলি না চালানোই ভালো, কারণ তারা গুলি করলে আমরাও গুলি শুরু করব।”
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, ইরানের ভেঙে পড়া অর্থনীতি নিয়ে শুরু হওয়া বিক্ষোভে গত কয়েক সপ্তাহে দশ হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা এখন সরাসরি শাসনের পরিবর্তন দাবি করছে। ইরান সরকার বলছে, আন্দোলনে ২ হাজার মানুষ মারা গেছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।