চরচা ডেস্ক

সিরিয়াকে সন্ত্রাসবাদী দেশের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে কানাডার সরকার। সেইসঙ্গে বাশার আল-আসাদ সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করা বিদ্রোহী গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল-শামের (এইচটিএস) নামও সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দিয়েছে। খবর তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর।
এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, এসব সিদ্ধান্ত যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। দেশের স্থিতিশীলতা বাড়াতে, অন্তর্ভুক্তিমূলক ভবিষ্যৎ গড়তে এবং বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী উদ্যোগে কাজ করতে সিরিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচেষ্টার কারণেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে হায়াত তাহরির আল-শাম ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি। এই গোষ্ঠীর নেতৃত্বে ছিলেন। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা।
কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দ বলেছেন, “সিরিয়া সরকারের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক রূপান্তরের উদ্যোগকে স্বাগত জানায় কানাডা। অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ার লড়াইয়ে সিরিয়ার জনগণের পাশে আছে কানাডা।”

সিরিয়াকে সন্ত্রাসবাদী দেশের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে কানাডার সরকার। সেইসঙ্গে বাশার আল-আসাদ সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করা বিদ্রোহী গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল-শামের (এইচটিএস) নামও সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দিয়েছে। খবর তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর।
এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, এসব সিদ্ধান্ত যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। দেশের স্থিতিশীলতা বাড়াতে, অন্তর্ভুক্তিমূলক ভবিষ্যৎ গড়তে এবং বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী উদ্যোগে কাজ করতে সিরিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচেষ্টার কারণেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে হায়াত তাহরির আল-শাম ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি। এই গোষ্ঠীর নেতৃত্বে ছিলেন। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা।
কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দ বলেছেন, “সিরিয়া সরকারের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক রূপান্তরের উদ্যোগকে স্বাগত জানায় কানাডা। অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ার লড়াইয়ে সিরিয়ার জনগণের পাশে আছে কানাডা।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।