চরচা ডেস্ক

রাজধানীতে নানা দাবিতে বিভিন্ন সংগঠনের আন্দোলনের কারণে রোববার সকাল থেকে প্রেস ক্লাব, পুরানা পল্টন, মতিঝিল, শাহবাগ ও বিজয়নগর এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে সকল অফিসগামী এবং সন্ধ্যায় ঘর ফেরত মানুষজন ভোগান্তিতে পড়েন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস বিভাগের ডিসি মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, একযোগে একাধিক সংগঠন অবস্থান কর্মসূচি পালনের ফলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক ঐক্যজোটের সদস্যরা সকাল থেকেই জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নেন। তাদের মূল দাবি– দ্রুত এমপিওভুক্তি নিশ্চিত করা। শিক্ষকরা বলেন, বহু বছর ধরে সরকারি স্বীকৃতি ও আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত তারা। দীর্ঘদিনের দাবিতে সাড়া না পেয়ে তারা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন।
অন্যদিকে প্রতিবন্ধী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তির দাবিতে বিভিন্ন সংগঠন একই স্থানে অবস্থান নেন। তারা বলেন, দেশের বিশেষ শিশুদের সেবায় নিয়োজিত শিক্ষকদের প্রতি রাষ্ট্রের কোনো দৃষ্টি নেই। তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে সরকারি নিয়োগ কাঠামোয় অন্তর্ভুক্তি ও নিয়মিত ভাতা নিশ্চিত করা।
এছাড়া চাকরির দাবিতে প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট ও ৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার উত্তীর্ণ প্রার্থীরা প্রেস ক্লাব এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন। তারা বলেন, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তারা সরকারি নিয়োগে সুযোগ পাচ্ছেন না। তাদের দাবি-নির্দিষ্ট কোটা অনুযায়ী দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করা।
একযোগে একাধিক সংগঠনের কর্মসূচির কারণে পুরানা পল্টন থেকে হাইকোর্ট পর্যন্ত সম্পূর্ণ রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে যানবাহনগুলোকে বিকল্প পথে ঘুরে যেতে হচ্ছে, যার কারণে অন্যান্য সড়কেও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং একইসাথে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

রাজধানীতে নানা দাবিতে বিভিন্ন সংগঠনের আন্দোলনের কারণে রোববার সকাল থেকে প্রেস ক্লাব, পুরানা পল্টন, মতিঝিল, শাহবাগ ও বিজয়নগর এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে সকল অফিসগামী এবং সন্ধ্যায় ঘর ফেরত মানুষজন ভোগান্তিতে পড়েন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস বিভাগের ডিসি মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, একযোগে একাধিক সংগঠন অবস্থান কর্মসূচি পালনের ফলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক ঐক্যজোটের সদস্যরা সকাল থেকেই জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নেন। তাদের মূল দাবি– দ্রুত এমপিওভুক্তি নিশ্চিত করা। শিক্ষকরা বলেন, বহু বছর ধরে সরকারি স্বীকৃতি ও আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত তারা। দীর্ঘদিনের দাবিতে সাড়া না পেয়ে তারা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন।
অন্যদিকে প্রতিবন্ধী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তির দাবিতে বিভিন্ন সংগঠন একই স্থানে অবস্থান নেন। তারা বলেন, দেশের বিশেষ শিশুদের সেবায় নিয়োজিত শিক্ষকদের প্রতি রাষ্ট্রের কোনো দৃষ্টি নেই। তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে সরকারি নিয়োগ কাঠামোয় অন্তর্ভুক্তি ও নিয়মিত ভাতা নিশ্চিত করা।
এছাড়া চাকরির দাবিতে প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট ও ৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার উত্তীর্ণ প্রার্থীরা প্রেস ক্লাব এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন। তারা বলেন, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তারা সরকারি নিয়োগে সুযোগ পাচ্ছেন না। তাদের দাবি-নির্দিষ্ট কোটা অনুযায়ী দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করা।
একযোগে একাধিক সংগঠনের কর্মসূচির কারণে পুরানা পল্টন থেকে হাইকোর্ট পর্যন্ত সম্পূর্ণ রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে যানবাহনগুলোকে বিকল্প পথে ঘুরে যেতে হচ্ছে, যার কারণে অন্যান্য সড়কেও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং একইসাথে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।