চরচা প্রতিবেদক

নানা অনিয়ম ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের লিখিত অভিযোগের পর ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদারকে বদলি করা হয়েছে।
আজ সোমবার স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ শাখার উপসচিব খোন্দকার ফরহাদ আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ বদলির আদেশ দেওয়া হয়।
কবির হোসেনকে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ থেকে পটুয়াখালী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
একই চিঠিতে নেত্রকোনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে পদায়ন করা হয়েছে।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা পরিষদের প্রশাসক তাহমিনা আক্তার এ তথ্য জানিয়েছেন।
গত রোববার জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্থানীয় সরকার সচিবের কাছে কবির হোসেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দাখিল করে।
অভিযোগে বলা হয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের অনুমোদন ছাড়াই কম্বল ক্রয় দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ, রাজস্ব তহবিলের অর্থে এফডিআর করতে চাপ, পছন্দের ঠিকাদার ছাড়া কাজ না করে অর্থ আত্মসাৎসহ অন্তত ১২টি অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
কবির হোসেনের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি প্রশাসকের স্বাক্ষর জাল করে কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে বরাদ্দ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শুরু করেছে। পাশাপাশি বিভাগীয় প্রশাসন থেকেও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কবির হোসেন সরদার।

নানা অনিয়ম ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের লিখিত অভিযোগের পর ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদারকে বদলি করা হয়েছে।
আজ সোমবার স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ শাখার উপসচিব খোন্দকার ফরহাদ আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ বদলির আদেশ দেওয়া হয়।
কবির হোসেনকে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ থেকে পটুয়াখালী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
একই চিঠিতে নেত্রকোনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে পদায়ন করা হয়েছে।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা পরিষদের প্রশাসক তাহমিনা আক্তার এ তথ্য জানিয়েছেন।
গত রোববার জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্থানীয় সরকার সচিবের কাছে কবির হোসেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দাখিল করে।
অভিযোগে বলা হয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের অনুমোদন ছাড়াই কম্বল ক্রয় দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ, রাজস্ব তহবিলের অর্থে এফডিআর করতে চাপ, পছন্দের ঠিকাদার ছাড়া কাজ না করে অর্থ আত্মসাৎসহ অন্তত ১২টি অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
কবির হোসেনের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি প্রশাসকের স্বাক্ষর জাল করে কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে বরাদ্দ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শুরু করেছে। পাশাপাশি বিভাগীয় প্রশাসন থেকেও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কবির হোসেন সরদার।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।