চরচা ডেস্ক

গত ১৮ ডিসেম্বর ছায়ানটে আগুন দেওয়ার ঘটনার এক প্রতিক্রিয়ায় তারা বলছে, কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রমের সঙ্গে ছায়ানট জড়িত নয়। আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জন্মাবধি ছায়ানট রাজনীতি বা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। ছায়ানট বিগত ষাট বছর ধরে সঙ্গীত-সংস্কৃতির অনুশীলন এবং তার প্রসারের মাধ্যমে বাঙালি জাতিসত্তাকে জাগ্রত করা ও সর্বজনের মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে একটি সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের সমাজ গড়ে তোলা ও বজায় রাখার কাজে সচেষ্ট রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ওসমান হাদির মর্মান্তিক মৃত্যুজনিত পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোনো মহল এই হামলা চালিয়েছে বলে ধারণা চলছে। তবে এই নবীন নেতার মৃত্যুর সূত্রে সংস্কৃতি-ভবনে আক্রমণ ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে বলে ছায়ানট মনে করে না। বরং, বাঙালি সংস্কৃতি-বিরোধী ব্যক্তিরা পরিস্থিতির সুযোগ গ্রহণ করেছে বলেই ধারণা ছায়ানটের।
এমন কার্যকলাপ এবং উদীচী সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর কার্যালয়ে ভাঙচুর এবং অগ্নিকান্ডের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ছায়ানট।

গত ১৮ ডিসেম্বর ছায়ানটে আগুন দেওয়ার ঘটনার এক প্রতিক্রিয়ায় তারা বলছে, কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রমের সঙ্গে ছায়ানট জড়িত নয়। আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জন্মাবধি ছায়ানট রাজনীতি বা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। ছায়ানট বিগত ষাট বছর ধরে সঙ্গীত-সংস্কৃতির অনুশীলন এবং তার প্রসারের মাধ্যমে বাঙালি জাতিসত্তাকে জাগ্রত করা ও সর্বজনের মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে একটি সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের সমাজ গড়ে তোলা ও বজায় রাখার কাজে সচেষ্ট রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ওসমান হাদির মর্মান্তিক মৃত্যুজনিত পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোনো মহল এই হামলা চালিয়েছে বলে ধারণা চলছে। তবে এই নবীন নেতার মৃত্যুর সূত্রে সংস্কৃতি-ভবনে আক্রমণ ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে বলে ছায়ানট মনে করে না। বরং, বাঙালি সংস্কৃতি-বিরোধী ব্যক্তিরা পরিস্থিতির সুযোগ গ্রহণ করেছে বলেই ধারণা ছায়ানটের।
এমন কার্যকলাপ এবং উদীচী সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর কার্যালয়ে ভাঙচুর এবং অগ্নিকান্ডের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ছায়ানট।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।