চরচা ডেস্ক

রাজধানীর যাত্রাবাড়ি এলাকায় দুই কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
মাদ্রাসা শিক্ষক ইউনুস আলী গত ৩০ অক্টোবর টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে পালিয়ে যান।
ইউনুস আলী ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া উপজেলার বাসিন্দা। তিনি ঢাকার যাত্রাবাড়ি এলাকায় অবস্থিত মারকাযুল ইলমী মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন।
শিক্ষক, সহকর্মীদের থেকে তিনি প্রতিদিন ধার নিতেন। উল্লেখ্য, সহকর্মী মিজানুর রহমানের ২৭ লাখ, আল আমিন ইসলাম প্রান্তের ২৭ লাখ ৫০ হাজার এবং মুফতি শামসুল ইসলামের থেকে ১৩ লাখ টাকা নেন।
ভূক্তভোগী শামসুল ইসলাম বলেন, “আমি ইউনুসকে দুধ-কলায় মানুষ করেছি, অথচ সে আমার ১৩ লাখ টাকা নিয়ে গেছে।”
ইউনুস আলী সকলের কাছ থেকে ধার হিসেবে টাকা নিতেন এবং ধারকৃত টাকা ফেরত দিয়ে দিতেন। তবে বেশকিছুদিন ধরে তিনি ধারকৃত টাকা ফেরত দিচ্ছিলেন না। পরবর্তীতে ৩০ অক্টোবর টাকা দেওয়ার কথা ঠিক হলে তিনি উধাও হয়ে যান। এ ঘটনায় মাদ্রাসার মোহতামিম মিজানুর রহমান যাত্রাবাড়ি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ি এলাকায় দুই কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
মাদ্রাসা শিক্ষক ইউনুস আলী গত ৩০ অক্টোবর টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে পালিয়ে যান।
ইউনুস আলী ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া উপজেলার বাসিন্দা। তিনি ঢাকার যাত্রাবাড়ি এলাকায় অবস্থিত মারকাযুল ইলমী মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন।
শিক্ষক, সহকর্মীদের থেকে তিনি প্রতিদিন ধার নিতেন। উল্লেখ্য, সহকর্মী মিজানুর রহমানের ২৭ লাখ, আল আমিন ইসলাম প্রান্তের ২৭ লাখ ৫০ হাজার এবং মুফতি শামসুল ইসলামের থেকে ১৩ লাখ টাকা নেন।
ভূক্তভোগী শামসুল ইসলাম বলেন, “আমি ইউনুসকে দুধ-কলায় মানুষ করেছি, অথচ সে আমার ১৩ লাখ টাকা নিয়ে গেছে।”
ইউনুস আলী সকলের কাছ থেকে ধার হিসেবে টাকা নিতেন এবং ধারকৃত টাকা ফেরত দিয়ে দিতেন। তবে বেশকিছুদিন ধরে তিনি ধারকৃত টাকা ফেরত দিচ্ছিলেন না। পরবর্তীতে ৩০ অক্টোবর টাকা দেওয়ার কথা ঠিক হলে তিনি উধাও হয়ে যান। এ ঘটনায় মাদ্রাসার মোহতামিম মিজানুর রহমান যাত্রাবাড়ি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।