চরচা প্রতিবেদক

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করায় ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। মেলার উদ্বোধন ও মেলা শুরু হবে আগামী ৩ জানুয়ারি।
আগামী ১ জানুয়ারি মেলার উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এক বার্তায় জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় শোক পালনের প্রেক্ষাপটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের তারিখ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ইতোমধ্যে যেসব আমন্ত্রণপত্র প্রেরণ করা হয়েছে, সেগুলো আগের মতোই কার্যকর থাকবে।
ইপিবির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, নির্ধারিত নতুন তারিখ অনুযায়ী সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হবে এবং মেলার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
প্রসঙ্গত, প্রতিবছর আয়োজিত ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা দেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক আয়োজন হিসেবে পরিচিত। দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী ও দর্শনার্থীদের অংশগ্রহণে এ মেলা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করায় ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। মেলার উদ্বোধন ও মেলা শুরু হবে আগামী ৩ জানুয়ারি।
আগামী ১ জানুয়ারি মেলার উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এক বার্তায় জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় শোক পালনের প্রেক্ষাপটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের তারিখ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ইতোমধ্যে যেসব আমন্ত্রণপত্র প্রেরণ করা হয়েছে, সেগুলো আগের মতোই কার্যকর থাকবে।
ইপিবির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, নির্ধারিত নতুন তারিখ অনুযায়ী সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হবে এবং মেলার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
প্রসঙ্গত, প্রতিবছর আয়োজিত ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা দেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক আয়োজন হিসেবে পরিচিত। দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী ও দর্শনার্থীদের অংশগ্রহণে এ মেলা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।