চরচা প্রতিবেদক
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের একটি মহিলা মাদরাসার পাশে বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণে সাত শিক্ষার্থীসহ আটজন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। রাত পৌনে ১২টার দিকে দগ্ধদের ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।
দগ্ধরা হলেন-সাদিয়া আক্তার, রুবাইয়া, আয়মান, নুসরাত, আলেয়া, তুইবা, রওজা, আফরিন।
দগ্ধ আফরিনের মামা মো. আনোয়ার জানান, বিকেলে মাদরাসার পাশে ট্রান্সফরমার হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়। চতুর্থ তলায় পড়াশোনারত শিক্ষার্থীদের ওপর আগুনের ফুলকি ছিটকে পড়ে। তাৎক্ষণিক উদ্ধার করে রাতেই তাদের ঢাকায় আনা হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আটজন এসেছেন। এর মধ্যে পাঁচজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি তিনজন জরুরি বিভাগে পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের একটি মহিলা মাদরাসার পাশে বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণে সাত শিক্ষার্থীসহ আটজন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। রাত পৌনে ১২টার দিকে দগ্ধদের ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।
দগ্ধরা হলেন-সাদিয়া আক্তার, রুবাইয়া, আয়মান, নুসরাত, আলেয়া, তুইবা, রওজা, আফরিন।
দগ্ধ আফরিনের মামা মো. আনোয়ার জানান, বিকেলে মাদরাসার পাশে ট্রান্সফরমার হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়। চতুর্থ তলায় পড়াশোনারত শিক্ষার্থীদের ওপর আগুনের ফুলকি ছিটকে পড়ে। তাৎক্ষণিক উদ্ধার করে রাতেই তাদের ঢাকায় আনা হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আটজন এসেছেন। এর মধ্যে পাঁচজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি তিনজন জরুরি বিভাগে পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।