চরচা প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত দেশের ৪২ হাজার ৬৫১টির মধ্যে ছয় হাজার ৬২০টি কেন্দ্রের ভোট পড়ার হার পায়নি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সময়ের মধ্যে ৩৬ হাজার ৩১টি কেন্দ্রে ৪৭ দশমিক ৯১ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
বিকেল চারটায় ইসি সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে সচিব বলেন, “সকাল সাড়ে সাতটা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ৪২ হাজার ৬৫১ কেন্দ্রের মধ্যে ৩৬ হাজার ৩১ কেন্দ্রে ৪৭ দশমিক ৯১ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। তবে ছয় হাজার ৬২০ কেন্দ্রের ভোট পড়ার হার তখনও কমিশনের হাতে পৌঁছায়নি।”
দুপুর একটার দিকে আরেক দফা ব্রিফিংয়ে ইসি সচিব জানান, ৪২ হাজার ৬৫১ কেন্দ্রের মধ্যে ৩২ হাজার ৭৮৯টি কেন্দ্রের ভোট পড়ার হার পাওয়া গেছে। সে সময় তিনি বলেন, ওই সময় পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৩২ দশমিক ৮৮ শতাংশ। প্রায় ১০ হাজার কেন্দ্রের ভোটের হার প্রকাশ না করায় জামায়াত নির্বাচন কমিশনে আপত্তি জানায়।
এদিকে, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে তিনটি আসনের প্রায় শতাধিক কেন্দ্রের ভোট বন্ধের দাবি তুলেছে জামায়াত।
এ প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, “ভোট বন্ধের সুযোগ আছে কি না? হতে পারে। অভিযোগ আছে। সেটা প্রমাণিত হলে…কারণ আমরাতো্ এখানে, তথ্য না নিয়ে বলতে পারব না। আগাম বলা উচিত না। আগাম বললে মানুষ বিভ্রান্ত হবেন। সে জন্য অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে, সে অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তা ব্যবস্থা নেবেন।”
নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, “এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা নেই।”
নিজের দুটি কেন্দ্র পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সচিব জানান, সংশ্লিষ্টরা তাকে বলেছেন, দুপুর পর্যন্ত ভোটের ‘ফ্লো কম ছিল, তবে ফেরার সময় তা বাড়তে শুরু করেছে’।
দিন শেষে কত শতাংশ ভোট পড়তে পারে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “যে শতাংশ শেস পর্যন্ত কাস্ট হবে, ওইটাই আশা করছি।”

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত দেশের ৪২ হাজার ৬৫১টির মধ্যে ছয় হাজার ৬২০টি কেন্দ্রের ভোট পড়ার হার পায়নি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সময়ের মধ্যে ৩৬ হাজার ৩১টি কেন্দ্রে ৪৭ দশমিক ৯১ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
বিকেল চারটায় ইসি সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে সচিব বলেন, “সকাল সাড়ে সাতটা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ৪২ হাজার ৬৫১ কেন্দ্রের মধ্যে ৩৬ হাজার ৩১ কেন্দ্রে ৪৭ দশমিক ৯১ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। তবে ছয় হাজার ৬২০ কেন্দ্রের ভোট পড়ার হার তখনও কমিশনের হাতে পৌঁছায়নি।”
দুপুর একটার দিকে আরেক দফা ব্রিফিংয়ে ইসি সচিব জানান, ৪২ হাজার ৬৫১ কেন্দ্রের মধ্যে ৩২ হাজার ৭৮৯টি কেন্দ্রের ভোট পড়ার হার পাওয়া গেছে। সে সময় তিনি বলেন, ওই সময় পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৩২ দশমিক ৮৮ শতাংশ। প্রায় ১০ হাজার কেন্দ্রের ভোটের হার প্রকাশ না করায় জামায়াত নির্বাচন কমিশনে আপত্তি জানায়।
এদিকে, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে তিনটি আসনের প্রায় শতাধিক কেন্দ্রের ভোট বন্ধের দাবি তুলেছে জামায়াত।
এ প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, “ভোট বন্ধের সুযোগ আছে কি না? হতে পারে। অভিযোগ আছে। সেটা প্রমাণিত হলে…কারণ আমরাতো্ এখানে, তথ্য না নিয়ে বলতে পারব না। আগাম বলা উচিত না। আগাম বললে মানুষ বিভ্রান্ত হবেন। সে জন্য অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে, সে অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তা ব্যবস্থা নেবেন।”
নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, “এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা নেই।”
নিজের দুটি কেন্দ্র পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সচিব জানান, সংশ্লিষ্টরা তাকে বলেছেন, দুপুর পর্যন্ত ভোটের ‘ফ্লো কম ছিল, তবে ফেরার সময় তা বাড়তে শুরু করেছে’।
দিন শেষে কত শতাংশ ভোট পড়তে পারে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “যে শতাংশ শেস পর্যন্ত কাস্ট হবে, ওইটাই আশা করছি।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।