বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংকট এবং কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ে মুলা পাঠিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন।
আজ বৃহস্পতিবার ‘ইসলামী ছাত্র আন্দোলন’-এর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা-কর্মীরা এক ‘প্রতীকী প্রতিবাদে’ মুলা পাঠায়।
অনেকদিন ধরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট, শ্রেণিকক্ষে আসন সংকট, আবাসন সমস্যা, লাইব্রেরি ও খেলাধুলার মাঠের সংকটের কোনো সমাধান না হওয়ায় পাঁচ কেজি মুলা পাঠিয়েছে দলটি।
ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি হাসিবুর রহমান হাসিব বলেন, “বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা সংকট যার কোনো প্রতিকার নাই। একটি মাত্র খেলার মাঠ সেটা পড়ে আছে। শিক্ষকদের পদন্নোতি দিয়ে তাদের বেতন নিয়ে ঝামেলা হচ্ছে। রাস্তাগুলোর বেহাল দশা সেগুলোর প্রতি প্রশাসনের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। আমরা সকল সংকটের দ্রুত সমাধান চাই।”
বিষয়টি নিয়ে সংগঠনের প্রচার সম্পাদক মেহেদি হাসান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা সংকট চলমান থাকলেও আমরা এর কোনো কার্যকর সমাধান দেখতে পাচ্ছি না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের একের পর এক শুধু আশ্বাসই দিয়ে যাচ্ছে। যা এখন ‘মুলা’তে পরিণত হয়েছে। এই মুলা নিতে নিতে আমরা বিরক্ত। তাই আজ প্রশাসনের দেওয়া সেই ‘মুলা’ প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে প্রশাসনকেই ফিরিয়ে দিলাম। আশা করি, এতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের টনক নড়বে এবং তারা বাস্তব সমাধানের দিকে এগোবে।”

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংকট এবং কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ে মুলা পাঠিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন।
আজ বৃহস্পতিবার ‘ইসলামী ছাত্র আন্দোলন’-এর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা-কর্মীরা এক ‘প্রতীকী প্রতিবাদে’ মুলা পাঠায়।
অনেকদিন ধরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট, শ্রেণিকক্ষে আসন সংকট, আবাসন সমস্যা, লাইব্রেরি ও খেলাধুলার মাঠের সংকটের কোনো সমাধান না হওয়ায় পাঁচ কেজি মুলা পাঠিয়েছে দলটি।
ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি হাসিবুর রহমান হাসিব বলেন, “বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা সংকট যার কোনো প্রতিকার নাই। একটি মাত্র খেলার মাঠ সেটা পড়ে আছে। শিক্ষকদের পদন্নোতি দিয়ে তাদের বেতন নিয়ে ঝামেলা হচ্ছে। রাস্তাগুলোর বেহাল দশা সেগুলোর প্রতি প্রশাসনের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। আমরা সকল সংকটের দ্রুত সমাধান চাই।”
বিষয়টি নিয়ে সংগঠনের প্রচার সম্পাদক মেহেদি হাসান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা সংকট চলমান থাকলেও আমরা এর কোনো কার্যকর সমাধান দেখতে পাচ্ছি না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের একের পর এক শুধু আশ্বাসই দিয়ে যাচ্ছে। যা এখন ‘মুলা’তে পরিণত হয়েছে। এই মুলা নিতে নিতে আমরা বিরক্ত। তাই আজ প্রশাসনের দেওয়া সেই ‘মুলা’ প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে প্রশাসনকেই ফিরিয়ে দিলাম। আশা করি, এতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের টনক নড়বে এবং তারা বাস্তব সমাধানের দিকে এগোবে।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।