চরচা ডেস্ক

দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে। ডিসেম্বরের শুরুতেই জেলাটির তাপমাত্রার পারদ কমে ১০ ডিগ্রির ঘরে পৌঁছেছে।
আজ শনিবার সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়াতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি রেকর্ড হয়েছে। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৫ শতাংশ।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, তেঁতুলিয়ার পর আজ সকালে শ্রীমঙ্গলে ১১ দশমিক ০ শূন্য ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার এক পূর্বাভাসে সরকারি সংস্থাটি জানিয়েছে, আজ সারাদেশের রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এ সময় আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। তাছাড়া আবহাওয়াও শুস্ক থাকতে পারে।
গত ৩ ডিসেম্বর দিনাজপুরে মৌসুমের সর্বনিম্ন ১১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। দেশের যেসব জেলা গুলোতে শীতের প্রকোপ বেশি হয়ে থাকে তার মধ্যে উত্তরের জেলা দিনাজপুর অন্যতম।

দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে। ডিসেম্বরের শুরুতেই জেলাটির তাপমাত্রার পারদ কমে ১০ ডিগ্রির ঘরে পৌঁছেছে।
আজ শনিবার সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়াতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি রেকর্ড হয়েছে। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৫ শতাংশ।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, তেঁতুলিয়ার পর আজ সকালে শ্রীমঙ্গলে ১১ দশমিক ০ শূন্য ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার এক পূর্বাভাসে সরকারি সংস্থাটি জানিয়েছে, আজ সারাদেশের রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এ সময় আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। তাছাড়া আবহাওয়াও শুস্ক থাকতে পারে।
গত ৩ ডিসেম্বর দিনাজপুরে মৌসুমের সর্বনিম্ন ১১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। দেশের যেসব জেলা গুলোতে শীতের প্রকোপ বেশি হয়ে থাকে তার মধ্যে উত্তরের জেলা দিনাজপুর অন্যতম।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।