চরচা প্রতিবেদক

ময়মনসিংহ রেলস্টেশনের ওয়াশপিটে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রেনে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই তা নিয়ন্ত্রণে আনেন রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।
আজ বুধবার ভোর চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার পর দুর্বৃত্তদের ধাওয়া দিলে তারা স্টেশন এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। এতে একটি বগির কয়েকটি আসন পুড়ে গেছে।
রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ময়মনসিংহ কার্যালয়ের পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম জানান, স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের বাইরের অংশে জারিয়া লোকাল ট্রেনের কোচগুলো ধোয়া-মোছার জন্য ওয়াশপিটে দাঁড় করানো ছিল। ভোরের দিকে নাশকতার উদ্দেশ্যে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনটিতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
তিনি বলেন, “আগুন দেখে আরএনবির তিন সদস্য দ্রুত আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তারা কাছাকাছি দাঁড়িয়ে থাকা এক দুর্বৃত্তকে ধাওয়া দেন। তবে অন্ধকার থাকায় তাকে ধরা সম্ভব হয়নি।”
পরে আরএনবি সদস্যরা নিজেদের জ্যাকেট খুলে তা পানিতে ভিজিয়ে আগুনের ওপর ঢেকে দেন এবং দ্রুত পানি ছিটিয়ে আগুন নেভান। এতে বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনের নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান সিরাজুল ইসলাম।
স্টেশন সুপার আব্দুল্লাহ আল হারুন বলেন, “পেট্রোলজাতীয় তরল পদার্থ ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ছড়িয়ে পড়ার আগেই রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত নিভিয়ে ফেলেন। এতে একটি বগির কয়েকটি সিটের কিছু অংশ পুড়ে গেছে।”

ময়মনসিংহ রেলস্টেশনের ওয়াশপিটে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রেনে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই তা নিয়ন্ত্রণে আনেন রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।
আজ বুধবার ভোর চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার পর দুর্বৃত্তদের ধাওয়া দিলে তারা স্টেশন এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। এতে একটি বগির কয়েকটি আসন পুড়ে গেছে।
রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ময়মনসিংহ কার্যালয়ের পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম জানান, স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের বাইরের অংশে জারিয়া লোকাল ট্রেনের কোচগুলো ধোয়া-মোছার জন্য ওয়াশপিটে দাঁড় করানো ছিল। ভোরের দিকে নাশকতার উদ্দেশ্যে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনটিতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
তিনি বলেন, “আগুন দেখে আরএনবির তিন সদস্য দ্রুত আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তারা কাছাকাছি দাঁড়িয়ে থাকা এক দুর্বৃত্তকে ধাওয়া দেন। তবে অন্ধকার থাকায় তাকে ধরা সম্ভব হয়নি।”
পরে আরএনবি সদস্যরা নিজেদের জ্যাকেট খুলে তা পানিতে ভিজিয়ে আগুনের ওপর ঢেকে দেন এবং দ্রুত পানি ছিটিয়ে আগুন নেভান। এতে বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনের নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান সিরাজুল ইসলাম।
স্টেশন সুপার আব্দুল্লাহ আল হারুন বলেন, “পেট্রোলজাতীয় তরল পদার্থ ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ছড়িয়ে পড়ার আগেই রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত নিভিয়ে ফেলেন। এতে একটি বগির কয়েকটি সিটের কিছু অংশ পুড়ে গেছে।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।