চরচা ডেস্ক

নির্বাচনী ইশতেহারে রাজনৈতিক দলগুলোকে বৈষম্য দূর করার স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশৎ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম এসডিজির এক সেমিনারে এই তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায় এ সময় দেবপ্রিয় বলেন, “আইনি পরিপ্রেক্ষিত থেকে রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের ইশতেহারে নির্বাচনী ইশতেহারে বৈষম্য দূর করার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।”
এই অর্থনীতিবিদ বলেন, “নাগরিক প্ল্যাটফর্ম প্রতিটি ক্ষেত্রে আইনি ও সামাজিকভাবে বৈষম্য দূর করতেই তৈরি করা হয়েছে। আর নির্বাচনী ইশতেহারে এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলে ভবিষ্যতে এই সংকট দূর করা আরও সহজ হবে।”
এ ছাড়া সাংবিধানিক প্রতিশ্রুতি এবং প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়ের মানুষদের বেঁচে থাকার বাস্তবতার মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

নির্বাচনী ইশতেহারে রাজনৈতিক দলগুলোকে বৈষম্য দূর করার স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশৎ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম এসডিজির এক সেমিনারে এই তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায় এ সময় দেবপ্রিয় বলেন, “আইনি পরিপ্রেক্ষিত থেকে রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের ইশতেহারে নির্বাচনী ইশতেহারে বৈষম্য দূর করার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।”
এই অর্থনীতিবিদ বলেন, “নাগরিক প্ল্যাটফর্ম প্রতিটি ক্ষেত্রে আইনি ও সামাজিকভাবে বৈষম্য দূর করতেই তৈরি করা হয়েছে। আর নির্বাচনী ইশতেহারে এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলে ভবিষ্যতে এই সংকট দূর করা আরও সহজ হবে।”
এ ছাড়া সাংবিধানিক প্রতিশ্রুতি এবং প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়ের মানুষদের বেঁচে থাকার বাস্তবতার মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।