চরচা ডেস্ক

বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রয়োজন হলে সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয়া। আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশন সচিবের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার একটি প্রতিনিধি দলের বৈঠক হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টার এই সৌজন্য সাক্ষাতে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে আগ্রহের কথাটি জানানো হয়।
অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী ড. অ্যান অ্যালি এমপি নির্বাচন কমিশনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বাংলাদেশের পক্ষে বৈঠকে অংশ নেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসিরুদ্দিন এবং নির্বাচন কমিশন সচিব মো. আখতার আহমেদ।
সাক্ষাৎ শেষে ইসি সচিব মো. আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি দল মূলত নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি এবং নির্বাচন কীভাবে আয়োজন করা হবে, সে বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। একই সঙ্গে, নির্বাচনের দিনের ঘটনা এবং তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার (যেমন: ফেক ইনফরমেশন, এআই ইন্টারভেনশন) নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতবিনিময় হয়েছে।
ইসি সচিব আরও জানান, অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে ইউএনডিপি’র মাধ্যমে ব্যালট সংক্রান্ত একটি প্রকল্পে সহযোগিতা করছে। প্রতিনিধি দলটি বলেছে, বাংলাদেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যদি কোনো ধরনের অতিরিক্ত সহযোগিতা বা সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তবে তারা তা করতে আগ্রহী। ভবিষ্যতে সহযোগিতা চাওয়া হবে কিনা বা কীভাবে সহযোগিতা নেওয়া হবে, তা পরের বিষয়।
মন্ত্রী অ্যালির সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন তার অফিসের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা এন্থনি লিউ, বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল, উপমিশন প্রধান ক্লিনটন প্লোবকে এবং অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রয়োজন হলে সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয়া। আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশন সচিবের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার একটি প্রতিনিধি দলের বৈঠক হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টার এই সৌজন্য সাক্ষাতে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে আগ্রহের কথাটি জানানো হয়।
অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী ড. অ্যান অ্যালি এমপি নির্বাচন কমিশনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বাংলাদেশের পক্ষে বৈঠকে অংশ নেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসিরুদ্দিন এবং নির্বাচন কমিশন সচিব মো. আখতার আহমেদ।
সাক্ষাৎ শেষে ইসি সচিব মো. আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি দল মূলত নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি এবং নির্বাচন কীভাবে আয়োজন করা হবে, সে বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। একই সঙ্গে, নির্বাচনের দিনের ঘটনা এবং তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার (যেমন: ফেক ইনফরমেশন, এআই ইন্টারভেনশন) নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতবিনিময় হয়েছে।
ইসি সচিব আরও জানান, অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে ইউএনডিপি’র মাধ্যমে ব্যালট সংক্রান্ত একটি প্রকল্পে সহযোগিতা করছে। প্রতিনিধি দলটি বলেছে, বাংলাদেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যদি কোনো ধরনের অতিরিক্ত সহযোগিতা বা সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তবে তারা তা করতে আগ্রহী। ভবিষ্যতে সহযোগিতা চাওয়া হবে কিনা বা কীভাবে সহযোগিতা নেওয়া হবে, তা পরের বিষয়।
মন্ত্রী অ্যালির সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন তার অফিসের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা এন্থনি লিউ, বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল, উপমিশন প্রধান ক্লিনটন প্লোবকে এবং অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।