চরচা ডেস্ক

বাংলার সংস্কৃতি, গণমাধ্যম এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর সাম্প্রতিক বিভিন্ন আক্রমণের প্রতিবাদ জানানোর জন্য সংহতি সমাবেশের ডাক দিয়েছে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ্। আগামীকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ ছায়ানট সংস্কৃতি ভবন মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হবে।
‘শুনাও আলোর জয়বাণী’ শীর্ষক এই সংহতি সমাবেশে গানের মাধ্যমে প্রতিবাদ ও সংহতি প্রকাশ করা হবে। জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ্–এর ঢাকা মহানগর শাখা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এ সংক্রান্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নীলাঞ্জনা চৌধুরী জানিয়েছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশীয় সংস্কৃতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষায় এই সমাবেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। অনুষ্ঠানটির সচিত্র সংবাদ ধারণ ও প্রচারের জন্য দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

বাংলার সংস্কৃতি, গণমাধ্যম এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর সাম্প্রতিক বিভিন্ন আক্রমণের প্রতিবাদ জানানোর জন্য সংহতি সমাবেশের ডাক দিয়েছে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ্। আগামীকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ ছায়ানট সংস্কৃতি ভবন মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হবে।
‘শুনাও আলোর জয়বাণী’ শীর্ষক এই সংহতি সমাবেশে গানের মাধ্যমে প্রতিবাদ ও সংহতি প্রকাশ করা হবে। জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ্–এর ঢাকা মহানগর শাখা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এ সংক্রান্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নীলাঞ্জনা চৌধুরী জানিয়েছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশীয় সংস্কৃতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষায় এই সমাবেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। অনুষ্ঠানটির সচিত্র সংবাদ ধারণ ও প্রচারের জন্য দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।