চরচা ডেস্ক

পূর্ব ইউরোপের দেশ বেলারুশের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে সম্মত হয়েছে আমেরিকা। এর পরপরই ১২৩ জন বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে দেশটি। মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোলেসনিকোভা ও শান্তিতে নোবেলজয়ী অধিকারকর্মী আলেস বিয়ালিয়াতস্কি। বেলারুশে আমেরিকার বিশেষ দূত জন কোয়ালের সঙ্গে আলোচনার পরই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্দী মুক্তির বিনিময়ে আমেরিকা রাশিয়ার মিত্রদেশ বেলারুশের ওপর আরোপিত কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে সম্মত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সার উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পটাশ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা। পটাশ বেলারুশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি পণ্য।
বন্দী মুক্তির পর জন কোয়াল বলেন, “দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হলে পর্যায়ক্রমে আরও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে।”বেলারুশের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, পটাশের ওপর নিষেধাজ্ঞা তাৎক্ষণিকভাবে তুলে নেওয়া হবে।
কোলেসনিকোভা ২০২০ সাল থেকে কারাবন্দী ছিলেন। এই দীর্ঘ কারাবাসের বেশিরভাগ সময়ই তাকে একাকী নির্জন কক্ষে আটকে রাখা হয়। ভাইয়ের মুক্তির দাবিতে তখন থেকে আন্দোলন করে আসছিলেন কোলেসনিকোভার বোন তাতিয়ানা খোমিচ। শনিবার মুক্তির পরপরই ভিডিও কলে তার সঙ্গে কথা বলতে পেরেছেন বলে বিবিসিকে জানান তাতিয়ানা।
তাতিয়ানা বলেন, কোলেসনিকোভা প্রথমেই মার্কিন প্রশাসন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং আলোচনায় অংশ নেওয়া বেলারুশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কো রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) লুকাশেঙ্কোকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি।
মিনস্কের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের এই প্রচেষ্টা আমেরিকার নীতিতে একটি বড় পরিবর্তনের অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেটি ইউরোপের অবস্থানের সঙ্গে স্পষ্টত সাংঘর্ষিক। কারণ পুরো ইইউ বেলারুশের বিপক্ষে নিষেধাজ্ঞা ও একঘরে করে রাখার নীতি অনুসরণ করে আসছে।

পূর্ব ইউরোপের দেশ বেলারুশের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে সম্মত হয়েছে আমেরিকা। এর পরপরই ১২৩ জন বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে দেশটি। মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোলেসনিকোভা ও শান্তিতে নোবেলজয়ী অধিকারকর্মী আলেস বিয়ালিয়াতস্কি। বেলারুশে আমেরিকার বিশেষ দূত জন কোয়ালের সঙ্গে আলোচনার পরই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্দী মুক্তির বিনিময়ে আমেরিকা রাশিয়ার মিত্রদেশ বেলারুশের ওপর আরোপিত কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে সম্মত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সার উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পটাশ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা। পটাশ বেলারুশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি পণ্য।
বন্দী মুক্তির পর জন কোয়াল বলেন, “দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হলে পর্যায়ক্রমে আরও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে।”বেলারুশের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, পটাশের ওপর নিষেধাজ্ঞা তাৎক্ষণিকভাবে তুলে নেওয়া হবে।
কোলেসনিকোভা ২০২০ সাল থেকে কারাবন্দী ছিলেন। এই দীর্ঘ কারাবাসের বেশিরভাগ সময়ই তাকে একাকী নির্জন কক্ষে আটকে রাখা হয়। ভাইয়ের মুক্তির দাবিতে তখন থেকে আন্দোলন করে আসছিলেন কোলেসনিকোভার বোন তাতিয়ানা খোমিচ। শনিবার মুক্তির পরপরই ভিডিও কলে তার সঙ্গে কথা বলতে পেরেছেন বলে বিবিসিকে জানান তাতিয়ানা।
তাতিয়ানা বলেন, কোলেসনিকোভা প্রথমেই মার্কিন প্রশাসন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং আলোচনায় অংশ নেওয়া বেলারুশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কো রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) লুকাশেঙ্কোকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি।
মিনস্কের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের এই প্রচেষ্টা আমেরিকার নীতিতে একটি বড় পরিবর্তনের অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেটি ইউরোপের অবস্থানের সঙ্গে স্পষ্টত সাংঘর্ষিক। কারণ পুরো ইইউ বেলারুশের বিপক্ষে নিষেধাজ্ঞা ও একঘরে করে রাখার নীতি অনুসরণ করে আসছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।