চবি প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) বাংলা মদসহ কারখানা জব্দ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বডি। বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার সময়ে প্রায় ৪০ লিটার বাংলা মদ জব্দ করা হয়।
গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল টিম সুমন চাকমা ও তার স্ত্রী পরিচয়ে থাকা এক নারীকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান বিভাগের দক্ষিণ পাশে একটি ছোট ঘরে সুমন চাকমা মদ তৈরি করতেন। পরবর্তীতে প্রক্টরিয়াল টিম তাকে বাংলা মদসহ আটক করে।
সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ কানন বলেন, “মাদকদ্রব্য আইন, বন্যপ্রাণী হত্যা, অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করে চালান দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লিজ নেওয়া জমিতে অবৈধভাবে এই ব্যবসা এবং অনুমতিহীন গাছ কাটার অপরাধে লিজ বাতিলের পাশাপাশি অর্থদণ্ড করা হবে।”
এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদে সুমন বন্য শুকর, হরিণসহ বিভিন্ন প্রাণী শিকারের কথাও স্বীকার করেন বলে জানিয়েছেন সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ কানন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) বাংলা মদসহ কারখানা জব্দ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বডি। বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার সময়ে প্রায় ৪০ লিটার বাংলা মদ জব্দ করা হয়।
গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল টিম সুমন চাকমা ও তার স্ত্রী পরিচয়ে থাকা এক নারীকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান বিভাগের দক্ষিণ পাশে একটি ছোট ঘরে সুমন চাকমা মদ তৈরি করতেন। পরবর্তীতে প্রক্টরিয়াল টিম তাকে বাংলা মদসহ আটক করে।
সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ কানন বলেন, “মাদকদ্রব্য আইন, বন্যপ্রাণী হত্যা, অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করে চালান দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লিজ নেওয়া জমিতে অবৈধভাবে এই ব্যবসা এবং অনুমতিহীন গাছ কাটার অপরাধে লিজ বাতিলের পাশাপাশি অর্থদণ্ড করা হবে।”
এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদে সুমন বন্য শুকর, হরিণসহ বিভিন্ন প্রাণী শিকারের কথাও স্বীকার করেন বলে জানিয়েছেন সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ কানন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।