চরচা প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাটল ট্রেনে কাটা পড়ে নুরুল আমিন (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটের দিকে শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গামী শাটল ট্রেনটি ক্যাম্পাস স্টেশনে প্রবেশের সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে চবি মেডিকেল সেন্টারে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তিনি পথেই মারা যান। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ কানন।
নিহত নুরুল আমিন বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। চার সন্তানের জনক এই ব্যক্তি বিকেলে চৌধুরীহাট স্টেশন থেকে শাটল ট্রেনে করে ক্যাম্পাসে ফিরছিলেন। স্টেশনে নামতে গিয়ে তিনি ভারসাম্য হারিয়ে এ দুর্ঘটনার শিকার হন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে ঢোকার সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী চিৎকার করে চালককে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন। তখন দেখা যায়, নুরুল আমিন ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের মাঝের সরু ফাঁকা জায়গায় পড়ে গেছেন এবং ট্রেনের অর্ধেক অংশ ইতোমধ্যে তাঁর ওপর দিয়ে চলে গেছে। ট্রেন থামার পর উপস্থিত শিক্ষার্থীরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। কয়েকজন মিলে বগিটি সামান্য কাত করে তাঁকে নিচ থেকে বের করেন। এরপর তাকে চবি মেডিকেল সেন্টারে নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও পথেই তার মৃত্যু হয়।
চবি সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ কানন বলেন, “শাটল ট্রেনে কাটা পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি স্টেশনসংলগ্ন এলাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দাফনের প্রস্তুতি চলছে।”
চবির চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. আবু তৈয়ব বলেন, “কয়েকজন শিক্ষার্থী ওই ব্যক্তিকে মেডিকেলে নিয়ে এসেছিল। তবে মেডিকেলে আনার আগেই তিনি মারা যান।”

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাটল ট্রেনে কাটা পড়ে নুরুল আমিন (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটের দিকে শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গামী শাটল ট্রেনটি ক্যাম্পাস স্টেশনে প্রবেশের সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে চবি মেডিকেল সেন্টারে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তিনি পথেই মারা যান। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ কানন।
নিহত নুরুল আমিন বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। চার সন্তানের জনক এই ব্যক্তি বিকেলে চৌধুরীহাট স্টেশন থেকে শাটল ট্রেনে করে ক্যাম্পাসে ফিরছিলেন। স্টেশনে নামতে গিয়ে তিনি ভারসাম্য হারিয়ে এ দুর্ঘটনার শিকার হন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে ঢোকার সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী চিৎকার করে চালককে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন। তখন দেখা যায়, নুরুল আমিন ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের মাঝের সরু ফাঁকা জায়গায় পড়ে গেছেন এবং ট্রেনের অর্ধেক অংশ ইতোমধ্যে তাঁর ওপর দিয়ে চলে গেছে। ট্রেন থামার পর উপস্থিত শিক্ষার্থীরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। কয়েকজন মিলে বগিটি সামান্য কাত করে তাঁকে নিচ থেকে বের করেন। এরপর তাকে চবি মেডিকেল সেন্টারে নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও পথেই তার মৃত্যু হয়।
চবি সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ কানন বলেন, “শাটল ট্রেনে কাটা পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি স্টেশনসংলগ্ন এলাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দাফনের প্রস্তুতি চলছে।”
চবির চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. আবু তৈয়ব বলেন, “কয়েকজন শিক্ষার্থী ওই ব্যক্তিকে মেডিকেলে নিয়ে এসেছিল। তবে মেডিকেলে আনার আগেই তিনি মারা যান।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।