চরচা প্রতিবেদক

বরিশালের অপসো স্যালাইন ফার্মাসিউটিক্যালসের ৫০০ কর্মচারী ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে চাকরিচ্যুতরা।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে মহাসড়ক আটকে বিক্ষোভ শুরু হয়। এতে মহাসড়কের দুই পাশে শতশত যানবাহন আটকে পড়ে। দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।
গত ১৭ দিন ধরে নগরীর বগুড়া রোড অবরোধ করে কারখানার সামনে বিক্ষোভ-প্রতীকী অনশন ছাড়াও মালিক, জেলা প্রশাসন ও চাকরীচ্যুতরা ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে চাকরিচ্যুতরা কাজ ফিরে পায়নি। কারখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, সংশ্লিষ্ট বিভাগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আইন মেনে কর্মীদের বাদ দেওয়া হয়েছে।
সংহতি প্রকাশ করে এই আন্দোলনে যোগ দেন বরিশাল মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন এবং বাসদের জেলা সমন্বয়কারী মনীষা চক্রবর্তী।
শ্রমিকরা জানান, ১৫ দিন ধরে চাকরি ফেরত পাওয়ার দাবিতে তারা আন্দোলন করছেন। বুধবার বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মালিকপক্ষ, প্রশাসন ও শ্রমিকদের ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হলেও কোনো সমাধান আসেনি। মালিকপক্ষের অস্পষ্ট অবস্থানের কারণে তারা বাধ্য হয়ে প্রতীকী অনশন শেষে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেন তারা।
বরগুনার যাত্রী আবদুর রহমান বলেন, “ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরছিলাম। হঠাৎ মহাসড়ক অবরোধ করে রাখায় প্রচণ্ড রোদের মধ্যে আটকে দুর্ভোগ পোহাচ্ছি।”

বরিশালের অপসো স্যালাইন ফার্মাসিউটিক্যালসের ৫০০ কর্মচারী ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে চাকরিচ্যুতরা।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে মহাসড়ক আটকে বিক্ষোভ শুরু হয়। এতে মহাসড়কের দুই পাশে শতশত যানবাহন আটকে পড়ে। দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।
গত ১৭ দিন ধরে নগরীর বগুড়া রোড অবরোধ করে কারখানার সামনে বিক্ষোভ-প্রতীকী অনশন ছাড়াও মালিক, জেলা প্রশাসন ও চাকরীচ্যুতরা ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে চাকরিচ্যুতরা কাজ ফিরে পায়নি। কারখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, সংশ্লিষ্ট বিভাগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আইন মেনে কর্মীদের বাদ দেওয়া হয়েছে।
সংহতি প্রকাশ করে এই আন্দোলনে যোগ দেন বরিশাল মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন এবং বাসদের জেলা সমন্বয়কারী মনীষা চক্রবর্তী।
শ্রমিকরা জানান, ১৫ দিন ধরে চাকরি ফেরত পাওয়ার দাবিতে তারা আন্দোলন করছেন। বুধবার বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মালিকপক্ষ, প্রশাসন ও শ্রমিকদের ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হলেও কোনো সমাধান আসেনি। মালিকপক্ষের অস্পষ্ট অবস্থানের কারণে তারা বাধ্য হয়ে প্রতীকী অনশন শেষে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেন তারা।
বরগুনার যাত্রী আবদুর রহমান বলেন, “ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরছিলাম। হঠাৎ মহাসড়ক অবরোধ করে রাখায় প্রচণ্ড রোদের মধ্যে আটকে দুর্ভোগ পোহাচ্ছি।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।