চরচা প্রতিবেদক

বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার রাতে শরীয়তপুরের জাজিরা থানার ওসি মাইনুল ইসলামকে ফোন করে তাকে এবং প্রধান উপদেষ্টাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
ওসি মাইনুল চরচাকে বলেন, “সম্প্রতি এক অভিযানের পর জাজিরা এলাকার ৬৫ জন আওয়ামী লীগের কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার ২ নম্বর আসামি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মিথুন ঢালী বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে মামলা দায়েরের করার কারণ জানতে চান।”
তিনি বলেন, “একসময় ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে এবং প্রধান উপদেষ্টাকে হত্যার হুমকি দেন। আমরা বিষয়টি তাৎক্ষণিক সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করেছি। আদালতের নির্দেশ পেলে মামলা দায়ের হবে।”

বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার রাতে শরীয়তপুরের জাজিরা থানার ওসি মাইনুল ইসলামকে ফোন করে তাকে এবং প্রধান উপদেষ্টাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
ওসি মাইনুল চরচাকে বলেন, “সম্প্রতি এক অভিযানের পর জাজিরা এলাকার ৬৫ জন আওয়ামী লীগের কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার ২ নম্বর আসামি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মিথুন ঢালী বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে মামলা দায়েরের করার কারণ জানতে চান।”
তিনি বলেন, “একসময় ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে এবং প্রধান উপদেষ্টাকে হত্যার হুমকি দেন। আমরা বিষয়টি তাৎক্ষণিক সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করেছি। আদালতের নির্দেশ পেলে মামলা দায়ের হবে।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।