চরচা ডেস্ক

ভূমিকম্প নিয়ে নতুন এক মানচিত্র প্রকাশ করেছে ভারত। এতে ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকার একটা তালিকা দেওয়া হয়। ব্যুরো অব ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডসের (বিআইএস) কোডের তথ্য নিয়ে বানানো এই তালিকায় উচ্চ ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে হিমালয়কে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, আগের তালিকায় হিমালয় ভূমিকম্পপ্রবণ হিসেবে ছিল না।
কিন্তু নতুন মানচিত্র বলছে, পুরো হিমালয় এলাকাই ভূমিকম্পপ্রবণ। এ কারণে এটিকে ৬ নম্বর উচ্চ ঝুঁকির এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
হিমালয়ের ব্যাপারে বলা হয়েছে, ভূগর্ভে থাকা পাতের ফল্টলাইনে পড়েছে হিমালয়।
এ ছাড়া মানচিত্র থেকে জানা যায়, ভারতের ৬১ ভাগ এলাকা ভূমিকম্পপ্রবণ। ইন্ডিয়ান-ইউরেসিয়া পাতের মধ্যে সংঘর্ষ এবং পাত সরে যাওয়ার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বেড়েছে। তালিকায় রয়েছে উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তর প্রদেশের কিছু এলাকা।

ভূমিকম্প নিয়ে নতুন এক মানচিত্র প্রকাশ করেছে ভারত। এতে ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকার একটা তালিকা দেওয়া হয়। ব্যুরো অব ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডসের (বিআইএস) কোডের তথ্য নিয়ে বানানো এই তালিকায় উচ্চ ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে হিমালয়কে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, আগের তালিকায় হিমালয় ভূমিকম্পপ্রবণ হিসেবে ছিল না।
কিন্তু নতুন মানচিত্র বলছে, পুরো হিমালয় এলাকাই ভূমিকম্পপ্রবণ। এ কারণে এটিকে ৬ নম্বর উচ্চ ঝুঁকির এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
হিমালয়ের ব্যাপারে বলা হয়েছে, ভূগর্ভে থাকা পাতের ফল্টলাইনে পড়েছে হিমালয়।
এ ছাড়া মানচিত্র থেকে জানা যায়, ভারতের ৬১ ভাগ এলাকা ভূমিকম্পপ্রবণ। ইন্ডিয়ান-ইউরেসিয়া পাতের মধ্যে সংঘর্ষ এবং পাত সরে যাওয়ার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বেড়েছে। তালিকায় রয়েছে উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তর প্রদেশের কিছু এলাকা।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।