চরচা ডেস্ক

থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তে ফের সংঘাত শুরু হয়েছে। আজ সোমবার কম্বোডিয়া সীমান্তে বিমান হামলা চালিয়েছে থাই সামরিক বাহিনী। সীমান্তজুড়ে গুলি ও বিস্ফোরণের ঘটনা বাড়তে থাকায় উভয় দেশই অপর পক্ষকে আক্রমণ শুরুর অভিযোগ করেছে।
এরই প্রেক্ষাপটে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্ততায় দুই মাসে আগে যুদ্ধবিরতি হওয়ার পর আবারও সংঘর্ষে জড়ালো দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই প্রতিবেশী দেশ। খবর রয়টার্সের।
থাই সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, থাইল্যান্ডের উবন রাতচাথানি প্রদেশে কম্বোডিয়ার হামলায় এক থাই সেনা নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন। এই ঘটনার জবাবেই কম্বোডিয়া সীমান্তে হামলা চালিয়েছে তারা।
অন্যদিকে কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ভোরে থাই বাহিনী দুই স্থানে আক্রমণ চালিয়েছে, যা কয়েক দিনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের পর ঘটেছে। তারা আরও দাবি করে, কম্বোডীয় সেনারা পাল্টা আক্রমণ চালায়নি।
এর আগে, গত জুলাই মাসে দুই দেশের মধ্যে পাঁচ দিনের সীমান্তযুদ্ধ হয়েছিল। সে সময় অন্তত ৪৮ জন নিহত ও প্রায় তিন লাখ মানুষ সাময়িকভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন। পরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দুই দেশের নেতাদের সঙ্গে ফোনালাপের মাধ্যমে ২৮ জুলাই প্রাথমিক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করান।
এরপর অক্টোবরের শেষ দিকে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে ট্রাম্প ও মালয়েশীয় প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে সম্প্রসারিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর করে থাইল্যান্ড ও কাম্বোডিয়া।
তবে স্বাক্ষরের দুই সপ্তাহের মধ্যেই সমঝোতা ভেঙে পড়তে শুরু করে। সীমান্তে একটি ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে কয়েকজন থাই সেনা আহত হওয়ার পর চুক্তির অগ্রগতি থামিয়ে দেয় ব্যাংকক।
থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার ৮১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ স্থলসীমান্ত নিয়ে শতাধিক বছর ধরে বিরোধ চলে আসছে। ১৯০৭ সালে ফরাসি শাসনামলে কম্বোডিয়ার সীমান্ত মানচিত্র তৈরির পর থেকেই এই উত্তেজনার সূত্রপাত।
সারা বছরই চলতে থাকা উত্তেজনা থেকে মাঝেমধ্যেই ২০১১ সালে এক সপ্তাহের আর্টিলারি সংঘর্ষের মতো সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। তবে উভয় দেশই শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা করে আসছে।

থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তে ফের সংঘাত শুরু হয়েছে। আজ সোমবার কম্বোডিয়া সীমান্তে বিমান হামলা চালিয়েছে থাই সামরিক বাহিনী। সীমান্তজুড়ে গুলি ও বিস্ফোরণের ঘটনা বাড়তে থাকায় উভয় দেশই অপর পক্ষকে আক্রমণ শুরুর অভিযোগ করেছে।
এরই প্রেক্ষাপটে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্ততায় দুই মাসে আগে যুদ্ধবিরতি হওয়ার পর আবারও সংঘর্ষে জড়ালো দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই প্রতিবেশী দেশ। খবর রয়টার্সের।
থাই সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, থাইল্যান্ডের উবন রাতচাথানি প্রদেশে কম্বোডিয়ার হামলায় এক থাই সেনা নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন। এই ঘটনার জবাবেই কম্বোডিয়া সীমান্তে হামলা চালিয়েছে তারা।
অন্যদিকে কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ভোরে থাই বাহিনী দুই স্থানে আক্রমণ চালিয়েছে, যা কয়েক দিনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের পর ঘটেছে। তারা আরও দাবি করে, কম্বোডীয় সেনারা পাল্টা আক্রমণ চালায়নি।
এর আগে, গত জুলাই মাসে দুই দেশের মধ্যে পাঁচ দিনের সীমান্তযুদ্ধ হয়েছিল। সে সময় অন্তত ৪৮ জন নিহত ও প্রায় তিন লাখ মানুষ সাময়িকভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন। পরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দুই দেশের নেতাদের সঙ্গে ফোনালাপের মাধ্যমে ২৮ জুলাই প্রাথমিক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করান।
এরপর অক্টোবরের শেষ দিকে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে ট্রাম্প ও মালয়েশীয় প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে সম্প্রসারিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর করে থাইল্যান্ড ও কাম্বোডিয়া।
তবে স্বাক্ষরের দুই সপ্তাহের মধ্যেই সমঝোতা ভেঙে পড়তে শুরু করে। সীমান্তে একটি ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে কয়েকজন থাই সেনা আহত হওয়ার পর চুক্তির অগ্রগতি থামিয়ে দেয় ব্যাংকক।
থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার ৮১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ স্থলসীমান্ত নিয়ে শতাধিক বছর ধরে বিরোধ চলে আসছে। ১৯০৭ সালে ফরাসি শাসনামলে কম্বোডিয়ার সীমান্ত মানচিত্র তৈরির পর থেকেই এই উত্তেজনার সূত্রপাত।
সারা বছরই চলতে থাকা উত্তেজনা থেকে মাঝেমধ্যেই ২০১১ সালে এক সপ্তাহের আর্টিলারি সংঘর্ষের মতো সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। তবে উভয় দেশই শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা করে আসছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।