চরচা ডেস্ক

অতীতের অস্বচ্ছ নির্বাচনের সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে দেশের জন্য গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম।
আজ সোমবার কুমিল্লার এক কর্মাশালায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল বলেন, “অতীতের কলঙ্ক মুছতে সুষ্ঠু, অবাধ ও ভালো নির্বাচনের বিকল্প নেই।”
তিনি আরও বলেন, “আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের গণতন্ত্র ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রশাসন, পুলিশ ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিরপেক্ষতা, সাহস ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”
কর্মাশালায় উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্মসচিব আব্দুল হালিম খান, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়সার এবং জেলা পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খান।

অতীতের অস্বচ্ছ নির্বাচনের সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে দেশের জন্য গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম।
আজ সোমবার কুমিল্লার এক কর্মাশালায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল বলেন, “অতীতের কলঙ্ক মুছতে সুষ্ঠু, অবাধ ও ভালো নির্বাচনের বিকল্প নেই।”
তিনি আরও বলেন, “আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের গণতন্ত্র ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রশাসন, পুলিশ ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিরপেক্ষতা, সাহস ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”
কর্মাশালায় উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্মসচিব আব্দুল হালিম খান, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়সার এবং জেলা পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খান।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।