চরচা প্রতিবেদক

রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে নিহত দুই বছরের শিশু সাজিদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। অশ্রুসিক্ত নয়নে শিশুটিকে শেষ বিদায় জানিয়েছে এলাকার হাজারো মানুষ।
আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে উপজেলার কোয়েলহাট মধ্যপাড়া এলাকার শিশু সাজিদের বাড়ির পাশের একটি মাঠে তার নামাজে জানাজা হয়। এরপর বাড়ির পাশের নেককিরি কবরস্থানে তাকে দাফন সম্পন্ন হয়।
গত বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার পাচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে সাজিদ গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে নিখোঁজ হয়।
ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ৪০ ফুট মাটি খনন করে ৩২ ঘণ্টা পর শিশুটিকে উদ্ধার করে। এরপর তাকে উদ্ধার করে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর বৃহস্পতিবার রাতেই মরদেহ গ্রামে পৌঁছায়।
সাজিদের মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় ও জানাজায় অংশ নেওয়া মানুষজন এমন অরক্ষিত ও পরিত্যক্ত গর্ত ফেলে রাখার বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন। অতীতেও বাংলাদেশে এমন গর্তে পড়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
২০১৪ সালের ডিসেম্বরে জিহাদ নামে এক শিশু ঢাকার শাহজাহানপুরে একটি পরিত্যক্ত গভীর পাইপে পড়ে যাওয়ার ঘটনা দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করে।

রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে নিহত দুই বছরের শিশু সাজিদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। অশ্রুসিক্ত নয়নে শিশুটিকে শেষ বিদায় জানিয়েছে এলাকার হাজারো মানুষ।
আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে উপজেলার কোয়েলহাট মধ্যপাড়া এলাকার শিশু সাজিদের বাড়ির পাশের একটি মাঠে তার নামাজে জানাজা হয়। এরপর বাড়ির পাশের নেককিরি কবরস্থানে তাকে দাফন সম্পন্ন হয়।
গত বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার পাচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে সাজিদ গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে নিখোঁজ হয়।
ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ৪০ ফুট মাটি খনন করে ৩২ ঘণ্টা পর শিশুটিকে উদ্ধার করে। এরপর তাকে উদ্ধার করে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর বৃহস্পতিবার রাতেই মরদেহ গ্রামে পৌঁছায়।
সাজিদের মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় ও জানাজায় অংশ নেওয়া মানুষজন এমন অরক্ষিত ও পরিত্যক্ত গর্ত ফেলে রাখার বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন। অতীতেও বাংলাদেশে এমন গর্তে পড়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
২০১৪ সালের ডিসেম্বরে জিহাদ নামে এক শিশু ঢাকার শাহজাহানপুরে একটি পরিত্যক্ত গভীর পাইপে পড়ে যাওয়ার ঘটনা দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।