চরচা ডেস্ক

বরিশালে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা–বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করেছে ছাত্রজনতা।
আজ সোমবার বিকেল তিনটার দিকে দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সংলগ্ন মহাসড়কে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা।
এতে দক্ষিণাঞ্চলগামী যাত্রীবাহী বাসসহ সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে এবং চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।
মহাসড়ক অবরোধে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ইনকিলাব মঞ্চ, ব্রজমোহন কলেজ, সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
অবরোধ চলাকালে বিক্ষোভকারীরা ‘বিচার বিচার বিচার চাই, হাদি হত্যার বিচার চাই’, ‘এক হাদি লোকান্তরে, লক্ষ হাদি লড়াই করে’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
আন্দোলনকারীরা দাবি করেন, হাদিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। অথচ ঘটনার পর দীর্ঘ সময় পার হলেও প্রকৃত খুনিদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। তারা বলেন, শুধু আশ্বাস নয়-দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না।
মহাসড়কে আটকে পড়া এক যাত্রী আবদুর রহমান বলেন, “হাদি হত্যার বিচার চাই, কিন্তু সাধারণ মানুষের এই দুর্ভোগের কথা কেউ ভাবে না।”
এ বিষয়ে বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, “হত্যার বিচার দাবিতে সড়ক অবরোধের কারণে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।”

বরিশালে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা–বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করেছে ছাত্রজনতা।
আজ সোমবার বিকেল তিনটার দিকে দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সংলগ্ন মহাসড়কে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা।
এতে দক্ষিণাঞ্চলগামী যাত্রীবাহী বাসসহ সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে এবং চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।
মহাসড়ক অবরোধে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ইনকিলাব মঞ্চ, ব্রজমোহন কলেজ, সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
অবরোধ চলাকালে বিক্ষোভকারীরা ‘বিচার বিচার বিচার চাই, হাদি হত্যার বিচার চাই’, ‘এক হাদি লোকান্তরে, লক্ষ হাদি লড়াই করে’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
আন্দোলনকারীরা দাবি করেন, হাদিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। অথচ ঘটনার পর দীর্ঘ সময় পার হলেও প্রকৃত খুনিদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। তারা বলেন, শুধু আশ্বাস নয়-দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না।
মহাসড়কে আটকে পড়া এক যাত্রী আবদুর রহমান বলেন, “হাদি হত্যার বিচার চাই, কিন্তু সাধারণ মানুষের এই দুর্ভোগের কথা কেউ ভাবে না।”
এ বিষয়ে বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, “হত্যার বিচার দাবিতে সড়ক অবরোধের কারণে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।