চরচা ডেস্ক

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের নামে দেশে থাকা সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আজ সোমবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে শেখ হাসিনা ও কামালের সব সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিহত শহীদ পরিবার ও আহতদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে রাষ্ট্রকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলায় ৫৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন, যার মধ্যে ছিলেন জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী নাহিদ ইসলাম এবং দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। গণ অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যসহ আরও অনেকে আদালতে বয়ান দেন।
গত ১০ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর পর মামলার অগ্রগতি দ্রুত এগোয়। পরে ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটনে রাজসাক্ষী হন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, যা মামলার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এনে দেয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের নামে দেশে থাকা সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আজ সোমবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে শেখ হাসিনা ও কামালের সব সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিহত শহীদ পরিবার ও আহতদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে রাষ্ট্রকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলায় ৫৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন, যার মধ্যে ছিলেন জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী নাহিদ ইসলাম এবং দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। গণ অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যসহ আরও অনেকে আদালতে বয়ান দেন।
গত ১০ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর পর মামলার অগ্রগতি দ্রুত এগোয়। পরে ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটনে রাজসাক্ষী হন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, যা মামলার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এনে দেয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।