চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মানবিক সেবাকেন্দ্র চালু করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (আনসার–ভিডিপি)।
আজ শুক্রবার ‘আনসার–ভিডিপি’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আনসার–ভিডিপির উপপরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. আশিকউজ্জামান বলেন, “সেবাকেন্দ্রটি প্রতিদিন দুই বেলায় প্রায় দুই হাজার মানুষকে খাবার সরবরাহ করবে। আজ থেকে শুরু হয়ে এই কার্যক্রম পরবর্তী পাঁচ দিন চলবে।”
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় দেড় হাজার পরিবারের ঘরবাড়ি, সম্পদ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী পুড়ে যায়। খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপদ পানির জন্য নলকূপ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মানবিক সেবাকেন্দ্র উদ্বোধনের সময় মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ বলেন, “এই সেবাকেন্দ্রের লক্ষ্য হলো ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে জরুরি খাদ্য, পানি ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান করা। আমরা চাই মানুষ কিছুটা নিরাপত্তা ও স্বস্তি ফিরে পাক।”
ভবিষ্যতেও সংকটময় মুহূর্তে মানবিক সহায়তা নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছে আনসার-ভিডিপি।

রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মানবিক সেবাকেন্দ্র চালু করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (আনসার–ভিডিপি)।
আজ শুক্রবার ‘আনসার–ভিডিপি’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আনসার–ভিডিপির উপপরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. আশিকউজ্জামান বলেন, “সেবাকেন্দ্রটি প্রতিদিন দুই বেলায় প্রায় দুই হাজার মানুষকে খাবার সরবরাহ করবে। আজ থেকে শুরু হয়ে এই কার্যক্রম পরবর্তী পাঁচ দিন চলবে।”
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় দেড় হাজার পরিবারের ঘরবাড়ি, সম্পদ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী পুড়ে যায়। খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপদ পানির জন্য নলকূপ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মানবিক সেবাকেন্দ্র উদ্বোধনের সময় মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ বলেন, “এই সেবাকেন্দ্রের লক্ষ্য হলো ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে জরুরি খাদ্য, পানি ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান করা। আমরা চাই মানুষ কিছুটা নিরাপত্তা ও স্বস্তি ফিরে পাক।”
ভবিষ্যতেও সংকটময় মুহূর্তে মানবিক সহায়তা নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছে আনসার-ভিডিপি।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।