চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর হাতিরঝিলের পশ্চিম চৌধুরীপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে সোনিয়া (১৭) নামের এক কিশোরী গৃহপরিচারিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গতকাল রোববার দিবাগত রাত ১টা ৩০ মিনিটের দিকে ওই বাসার দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সোনিয়া ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার বেপারী বাড়ির দুলাল ব্যাপারীর মেয়ে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হাতিরঝিলের চৌধুরীপাড়া এলাকায় ইকবাল হোসেনের বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন।
বাড়ির মালিকের মেয়ে নুসরাত জাহান নুবায়রা জানিয়েছেন, গভীর রাতে ঘরে ঢুকে সোনিয়াকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তিনি চিৎকার করলে পরিবারের অন্য সদস্যরা ছুটে আসেন। পরে তারা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি হাতিরঝিল থানা পুলিশকে জানান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে আজ সোমবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
হাতিরঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) দীনবন্ধু বলেন, “এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু, প্রাথমিকভাবে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত আছে।”

রাজধানীর হাতিরঝিলের পশ্চিম চৌধুরীপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে সোনিয়া (১৭) নামের এক কিশোরী গৃহপরিচারিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গতকাল রোববার দিবাগত রাত ১টা ৩০ মিনিটের দিকে ওই বাসার দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সোনিয়া ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার বেপারী বাড়ির দুলাল ব্যাপারীর মেয়ে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হাতিরঝিলের চৌধুরীপাড়া এলাকায় ইকবাল হোসেনের বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন।
বাড়ির মালিকের মেয়ে নুসরাত জাহান নুবায়রা জানিয়েছেন, গভীর রাতে ঘরে ঢুকে সোনিয়াকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তিনি চিৎকার করলে পরিবারের অন্য সদস্যরা ছুটে আসেন। পরে তারা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি হাতিরঝিল থানা পুলিশকে জানান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে আজ সোমবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
হাতিরঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) দীনবন্ধু বলেন, “এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু, প্রাথমিকভাবে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত আছে।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।