চরচা প্রতিবেদক

গাজীপুরের টঙ্গীতে বিএনপি প্রার্থী মনজুরুল করিম রনির নির্বাচনী প্রচারের সময় গ্যাস বেলুনের বিস্ফোরণ ঘটেছে। আজ সোমবার বিকেল চারটার দিকে টঙ্গী বাজারের মেইন রোডে ঘটনাটি ঘটে।
আহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসা রবিউল ইসলাম জানান, আজ বিকেলের দিকে গাজীপুর ২ আসনে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলাম। এ সময়ে একটি ঘরের ভেতরে রাখা বেশ কিছু গ্যাস-বেলুন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে আমাদের ১৮ জন কর্মী দগ্ধ হলে তাদেরকে জাতীয় বার্ন হাসপাতালে নিয়ে আসি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সন্ধ্যার দিকে গাজীপুর থেকে ১৮ জনকে দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে তাদের ড্রেসিং চলছে। তাই এই মুহূর্তে দগ্ধের পরিমাণ জানানো সম্ভব হচ্ছে না। আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানিয়েছি।
আহতরা হলেন অনিক, হাসু, হাসনাত, হাসনাত, আকাশ, রমজান, রাফি, বিজয়,তাসিন, সিয়াম, মিনহাজ, নুরু, শাওন, ইমাম, নির্জন,মারুফ, রুবেল ও রাব্বি।
পরবর্তীতে সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে দগ্ধদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে।

গাজীপুরের টঙ্গীতে বিএনপি প্রার্থী মনজুরুল করিম রনির নির্বাচনী প্রচারের সময় গ্যাস বেলুনের বিস্ফোরণ ঘটেছে। আজ সোমবার বিকেল চারটার দিকে টঙ্গী বাজারের মেইন রোডে ঘটনাটি ঘটে।
আহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসা রবিউল ইসলাম জানান, আজ বিকেলের দিকে গাজীপুর ২ আসনে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলাম। এ সময়ে একটি ঘরের ভেতরে রাখা বেশ কিছু গ্যাস-বেলুন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে আমাদের ১৮ জন কর্মী দগ্ধ হলে তাদেরকে জাতীয় বার্ন হাসপাতালে নিয়ে আসি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সন্ধ্যার দিকে গাজীপুর থেকে ১৮ জনকে দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে তাদের ড্রেসিং চলছে। তাই এই মুহূর্তে দগ্ধের পরিমাণ জানানো সম্ভব হচ্ছে না। আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানিয়েছি।
আহতরা হলেন অনিক, হাসু, হাসনাত, হাসনাত, আকাশ, রমজান, রাফি, বিজয়,তাসিন, সিয়াম, মিনহাজ, নুরু, শাওন, ইমাম, নির্জন,মারুফ, রুবেল ও রাব্বি।
পরবর্তীতে সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে দগ্ধদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।