চরচা প্রতিবেদক

শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও শফিকুর রহমান এবং তার স্ত্রী বীথিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার রাতে রাজধানীর উত্তরা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
থানা সূত্রে জানা যায়, গোলাম মোস্তফা একজন হোটেল কর্মচারী। আর্থিক দুরবস্থার কারণে তিনি তার একমাত্র কন্যাকে গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় একটি বাসায় শিশু দেখাশোনার কাজে রাখেন। ওই বাসার মালিক বিথী ও তার স্বামী শফিকুর রহমান ভবিষ্যতে শিশুটির ভরণপোষণ ও বিবাহের দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দেন। এ আশ্বাসে ২০২৫ সালের জুন মাসে তিনি তার মেয়েকে তাদের হেফাজতে রেখে যান।
প্রথমদিকে গোলাম মোস্তফা নিয়মিত মেয়ের সঙ্গে দেখা করলেও ২০২৫ সালের নভেম্বরের পর থেকে বিভিন্ন অজুহাতে তাকে মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হতো না। সর্বশেষ গত শনিবার দুপুরে বিথী ফোন করে জানায়, শিশুটি অসুস্থ এবং তাকে নিয়ে যেতে হবে। ওই দিন সন্ধ্যায় শিশুটিকে বাবার কাছে হস্তান্তর করা হলে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত ও দগদগে পোড়া চিহ্ন দেখা যায়। সে স্বাভাবিকভাবে কথাও বলতে পারছিল না। আঘাতের কারণ জানতে চাইলে অভিযুক্তরা কোনো সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি।
পরবর্তীতে শিশুটিকে গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাকালে শিশুটি জানায়, ২০২৫ সালের ২ নভেম্বরের পর থেকে বিথী, শফিকুর রহমান এবং আরও দুজন কাজের নারী বিভিন্ন সময়ে তাকে মারধর করে এবং রান্নার কাজে ব্যবহৃত গরম খুন্তি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দেয়।
এ ঘটনায় ডিএমপির উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এমডি ও সিইও শফিকুর রহমান এবং তার স্ত্রী বীথিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ডিএমপি কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী এনডিসির পক্ষ থেকে আহত শিশুটির চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা শিশুটির পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।

শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও শফিকুর রহমান এবং তার স্ত্রী বীথিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার রাতে রাজধানীর উত্তরা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
থানা সূত্রে জানা যায়, গোলাম মোস্তফা একজন হোটেল কর্মচারী। আর্থিক দুরবস্থার কারণে তিনি তার একমাত্র কন্যাকে গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় একটি বাসায় শিশু দেখাশোনার কাজে রাখেন। ওই বাসার মালিক বিথী ও তার স্বামী শফিকুর রহমান ভবিষ্যতে শিশুটির ভরণপোষণ ও বিবাহের দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দেন। এ আশ্বাসে ২০২৫ সালের জুন মাসে তিনি তার মেয়েকে তাদের হেফাজতে রেখে যান।
প্রথমদিকে গোলাম মোস্তফা নিয়মিত মেয়ের সঙ্গে দেখা করলেও ২০২৫ সালের নভেম্বরের পর থেকে বিভিন্ন অজুহাতে তাকে মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হতো না। সর্বশেষ গত শনিবার দুপুরে বিথী ফোন করে জানায়, শিশুটি অসুস্থ এবং তাকে নিয়ে যেতে হবে। ওই দিন সন্ধ্যায় শিশুটিকে বাবার কাছে হস্তান্তর করা হলে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত ও দগদগে পোড়া চিহ্ন দেখা যায়। সে স্বাভাবিকভাবে কথাও বলতে পারছিল না। আঘাতের কারণ জানতে চাইলে অভিযুক্তরা কোনো সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি।
পরবর্তীতে শিশুটিকে গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাকালে শিশুটি জানায়, ২০২৫ সালের ২ নভেম্বরের পর থেকে বিথী, শফিকুর রহমান এবং আরও দুজন কাজের নারী বিভিন্ন সময়ে তাকে মারধর করে এবং রান্নার কাজে ব্যবহৃত গরম খুন্তি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দেয়।
এ ঘটনায় ডিএমপির উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এমডি ও সিইও শফিকুর রহমান এবং তার স্ত্রী বীথিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ডিএমপি কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী এনডিসির পক্ষ থেকে আহত শিশুটির চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা শিশুটির পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।