চরচা ডেস্ক

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটাররা তাদের ইচ্ছেমতো ভোট দিতে পারবেন। তাতে কেউ বাধা দিতে পারবে না–সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান।
আজ শুক্রবার দিনাজপুর গোড়-এ শহীদ বড় ময়দানে এক সভায় এমন কথা বলেন তিনি।
ফাওজুল কবির খান বলেন, “বিগত সময়ে মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। এদেশের ছাত্র-জনতা জুলাই আন্দোলনে প্রতিবাদের মাধ্যমে সেটির প্রতিফলন ঘটিয়েছে। এখন সময় এসেছে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার।”
ফাওজুল কবির খান আরও বলেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোটে ভোটাররা পছন্দমতো ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিতে পারবেন।”
উপদেষ্টা আরও বলেন, “ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার জন্য এবং দেশে অন্যায়ভাবে গুম, খুন, হত্যা বন্ধ করতে সংস্কার প্রয়োজন। সেজন্য ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কারের পক্ষে সমর্থন দিতে হবে। তবে সংস্কার না চাইলে ‘না’ ভোটও দিতে পারবেন। এতে বাধ্যবাধকতা নেই।”
গণভোটের মাধ্যমে দেশের মানুষ সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে রায় দিলে সংস্কার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে বলে জানান উপদেষ্টা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটাররা তাদের ইচ্ছেমতো ভোট দিতে পারবেন। তাতে কেউ বাধা দিতে পারবে না–সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান।
আজ শুক্রবার দিনাজপুর গোড়-এ শহীদ বড় ময়দানে এক সভায় এমন কথা বলেন তিনি।
ফাওজুল কবির খান বলেন, “বিগত সময়ে মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। এদেশের ছাত্র-জনতা জুলাই আন্দোলনে প্রতিবাদের মাধ্যমে সেটির প্রতিফলন ঘটিয়েছে। এখন সময় এসেছে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার।”
ফাওজুল কবির খান আরও বলেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোটে ভোটাররা পছন্দমতো ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিতে পারবেন।”
উপদেষ্টা আরও বলেন, “ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার জন্য এবং দেশে অন্যায়ভাবে গুম, খুন, হত্যা বন্ধ করতে সংস্কার প্রয়োজন। সেজন্য ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কারের পক্ষে সমর্থন দিতে হবে। তবে সংস্কার না চাইলে ‘না’ ভোটও দিতে পারবেন। এতে বাধ্যবাধকতা নেই।”
গণভোটের মাধ্যমে দেশের মানুষ সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে রায় দিলে সংস্কার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে বলে জানান উপদেষ্টা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।