চরচা ডেস্ক

পাকিস্তান যদি যুদ্ধ অব্যাহত রাখে, তবে তাদের বিরুদ্ধে আফগানিস্তান কঠোর ব্যবস্থা নিতে সক্ষম বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ। এক সংবাদ সম্মেলনে মুজাহিদ এই দাবি করেন।
টলো নিউজের বরাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
মুজাহিদ দাবি করেন, পাকিস্তান গত রাতে বারবার যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়ে আসছিল। কিন্তু আফগান বাহিনী ইতিমধ্যে তাদের শক্তির জানান দিয়েছে।
আফগান মুখপাত্র বলেন, “আমরা পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হেনেছি। এর মাধ্যমে এই বার্তাই দেওয়া হয়েছে যে–আমাদের হাত তাদের ঘাড় পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।”
পাকিস্তান সীমান্ত সংঘাত বা যুদ্ধ চালিয়ে গেলে আফগানিস্তান আরও বড় পদক্ষেপ নেবে বলে জানানো হয়েছে। আফগান মুখপাত্রের দাবি অনুযায়ী, তারা ইতিমধ্যে পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবস্থানে সফলভাবে হামলা চালিয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা এবং টিটিপি ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে। জাবিহুল্লাহ মুজাহিদের এই সরাসরি হুমকি সেই উত্তেজনাকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে গেল।

পাকিস্তান যদি যুদ্ধ অব্যাহত রাখে, তবে তাদের বিরুদ্ধে আফগানিস্তান কঠোর ব্যবস্থা নিতে সক্ষম বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ। এক সংবাদ সম্মেলনে মুজাহিদ এই দাবি করেন।
টলো নিউজের বরাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
মুজাহিদ দাবি করেন, পাকিস্তান গত রাতে বারবার যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়ে আসছিল। কিন্তু আফগান বাহিনী ইতিমধ্যে তাদের শক্তির জানান দিয়েছে।
আফগান মুখপাত্র বলেন, “আমরা পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হেনেছি। এর মাধ্যমে এই বার্তাই দেওয়া হয়েছে যে–আমাদের হাত তাদের ঘাড় পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।”
পাকিস্তান সীমান্ত সংঘাত বা যুদ্ধ চালিয়ে গেলে আফগানিস্তান আরও বড় পদক্ষেপ নেবে বলে জানানো হয়েছে। আফগান মুখপাত্রের দাবি অনুযায়ী, তারা ইতিমধ্যে পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবস্থানে সফলভাবে হামলা চালিয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা এবং টিটিপি ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে। জাবিহুল্লাহ মুজাহিদের এই সরাসরি হুমকি সেই উত্তেজনাকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে গেল।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।