চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বাসায় মা-মেয়েকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত গৃহকর্মী আয়েশাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার ঝালকাঠির নলছিটি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা বলেন, তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় নিয়ে আসা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিস্তারিত জানানো যাবে।
গত সোমবার সকালে মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডে একটি বাসায় হত্যা করা হয় লায়লা আফরোজ (৪৮) ও তার মেয়ে নাফিসা বিনতে আজিজকে।
এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার নিহত নাফিজার বাবা আজিজুল হক মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় গৃহকর্মী আয়েশাকে আসামি করা হয়।
নাফিসা মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল, আর মা লায়লা আফরোজ ছিলেন গৃহিণী।
নাফিসার বাবা এ জেড আজিজুল ইসলাম উত্তরার সানবিমস স্কুলের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক। স্ত্রী ও একমাত্র কন্যাকে নিয়ে ওই বাসায় প্রায় ১৩ বছর ধরে বসবাস করে আসছিলেন তিনি। তাদের গ্রামের বাড়ি নাটোরে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বাসায় মা-মেয়েকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত গৃহকর্মী আয়েশাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার ঝালকাঠির নলছিটি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা বলেন, তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় নিয়ে আসা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিস্তারিত জানানো যাবে।
গত সোমবার সকালে মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডে একটি বাসায় হত্যা করা হয় লায়লা আফরোজ (৪৮) ও তার মেয়ে নাফিসা বিনতে আজিজকে।
এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার নিহত নাফিজার বাবা আজিজুল হক মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় গৃহকর্মী আয়েশাকে আসামি করা হয়।
নাফিসা মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল, আর মা লায়লা আফরোজ ছিলেন গৃহিণী।
নাফিসার বাবা এ জেড আজিজুল ইসলাম উত্তরার সানবিমস স্কুলের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক। স্ত্রী ও একমাত্র কন্যাকে নিয়ে ওই বাসায় প্রায় ১৩ বছর ধরে বসবাস করে আসছিলেন তিনি। তাদের গ্রামের বাড়ি নাটোরে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।