চরচা ডেস্ক

উগান্ডার জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন প্রবীণ রাজনীতিক ইওয়েরি মুসেভিনি। এই জয়ের মধ্য দিয়ে ৫ম বারের মতো দেশটির প্রেসিডেন্ট হয়েছেন তিনি। উগান্ডার নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনে মুসেভিনি ৭২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। এই বছর তার শাসনের ৪০ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। মুসেভিনি ১৯৮৬ সালে মিল্টন ওবোতে সরকারের পতন ঘটিয়ে বিদ্রোহী কমান্ডার হিসেবে ক্ষমতা দখল করেন।
অন্যদিকে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পপ তারকা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া ববি ওয়াইন পেয়েছেন মাত্র ২৪ শতাংশ ভোট। দেশটির তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের কাছে তিনি বেশ জনপ্রিয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ওয়াইন নির্বাচনের ফলাফলকে 'ভুয়া' বলে দাবি করেছেন। উল্লেখ্য, নির্বাচনের সময় দেশটিতে ইন্টারনেট বন্ধ ছিল।
ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে ওয়াইন তার সমর্থকদের বিক্ষোভে নামার আহ্বান জানিয়েছেন। তার বর্তমান অবস্থান এখন অজানা। শনিবার তাকে নিজ বাসভবন থেকে জোর করে হেলিকপ্টারে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। তবে এমন কোন ঘটনা ঘটেনি বলে জানান তিনি।
ওয়াইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, “গতরাতে (শুক্রবার) সেনাবাহিনী ও পুলিশ আমাকে ধরতে আমার বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানের পরিস্থিতি খুব খারাপ ছিল। তারা বিদ্যুৎ ও সিসিটিভির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। আমি তাদের হাত থেকে পালাতে পেরেছি।”
উগান্ডার এবারের নির্বাচনে মুসেভেনির জয় খুব বেশি অবাক করার মতো ছিল না। ক্ষমতায় আসার পর তিনি বয়সসীমা ও মেয়াদসীমা তুলে দিতে সংবিধান দু’বার পরিবর্তন করেছেন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তার নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছেন।

উগান্ডার জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন প্রবীণ রাজনীতিক ইওয়েরি মুসেভিনি। এই জয়ের মধ্য দিয়ে ৫ম বারের মতো দেশটির প্রেসিডেন্ট হয়েছেন তিনি। উগান্ডার নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনে মুসেভিনি ৭২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। এই বছর তার শাসনের ৪০ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। মুসেভিনি ১৯৮৬ সালে মিল্টন ওবোতে সরকারের পতন ঘটিয়ে বিদ্রোহী কমান্ডার হিসেবে ক্ষমতা দখল করেন।
অন্যদিকে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পপ তারকা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া ববি ওয়াইন পেয়েছেন মাত্র ২৪ শতাংশ ভোট। দেশটির তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের কাছে তিনি বেশ জনপ্রিয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ওয়াইন নির্বাচনের ফলাফলকে 'ভুয়া' বলে দাবি করেছেন। উল্লেখ্য, নির্বাচনের সময় দেশটিতে ইন্টারনেট বন্ধ ছিল।
ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে ওয়াইন তার সমর্থকদের বিক্ষোভে নামার আহ্বান জানিয়েছেন। তার বর্তমান অবস্থান এখন অজানা। শনিবার তাকে নিজ বাসভবন থেকে জোর করে হেলিকপ্টারে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। তবে এমন কোন ঘটনা ঘটেনি বলে জানান তিনি।
ওয়াইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, “গতরাতে (শুক্রবার) সেনাবাহিনী ও পুলিশ আমাকে ধরতে আমার বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানের পরিস্থিতি খুব খারাপ ছিল। তারা বিদ্যুৎ ও সিসিটিভির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। আমি তাদের হাত থেকে পালাতে পেরেছি।”
উগান্ডার এবারের নির্বাচনে মুসেভেনির জয় খুব বেশি অবাক করার মতো ছিল না। ক্ষমতায় আসার পর তিনি বয়সসীমা ও মেয়াদসীমা তুলে দিতে সংবিধান দু’বার পরিবর্তন করেছেন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তার নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।