চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুর রোডে তিতাস গ্যাসের বিতরণ পাইপের ভালভ ফেটে গেছে। এ কারণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের মারাত্মক স্বল্পচাপ বিরাজ করছে।
আজ শনিবার এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
বার্তায় বলা হয়, মিরপুর রোডে গণভবনের সম্মুখে ৪ ইঞ্চি ব্যাসের ভালভ ফেটে সৃষ্ট লিকেজ মেরামতের জন্য বিতরণ নেটওয়ার্কের বেশ কয়েকটি ভালভ বন্ধ করে চাপ সীমিত করায় ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, নিউমার্কেট, হাজারীবাগ, গাবতলীসহ সংলগ্ন এলাকায় গ্যাসের মারাত্মক স্বল্পচাপ বিরাজ করছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভালভটি পরিবর্তনের কাজ শুরু করা হয়েছে।
গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখিত বলেও জানানো হয়েছে।
এরআগে, আমিনবাজারে তুরাগ নদের তলদেশে মালবাহী ট্রলারের নোঙরের আঘাতে গ্যাসের পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মেরামতকালে পাইপে পানি প্রবেশ করে। এতে কমে যায় গ্যাসের সরবরাহ।

রাজধানীর মিরপুর রোডে তিতাস গ্যাসের বিতরণ পাইপের ভালভ ফেটে গেছে। এ কারণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের মারাত্মক স্বল্পচাপ বিরাজ করছে।
আজ শনিবার এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
বার্তায় বলা হয়, মিরপুর রোডে গণভবনের সম্মুখে ৪ ইঞ্চি ব্যাসের ভালভ ফেটে সৃষ্ট লিকেজ মেরামতের জন্য বিতরণ নেটওয়ার্কের বেশ কয়েকটি ভালভ বন্ধ করে চাপ সীমিত করায় ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, নিউমার্কেট, হাজারীবাগ, গাবতলীসহ সংলগ্ন এলাকায় গ্যাসের মারাত্মক স্বল্পচাপ বিরাজ করছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভালভটি পরিবর্তনের কাজ শুরু করা হয়েছে।
গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখিত বলেও জানানো হয়েছে।
এরআগে, আমিনবাজারে তুরাগ নদের তলদেশে মালবাহী ট্রলারের নোঙরের আঘাতে গ্যাসের পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মেরামতকালে পাইপে পানি প্রবেশ করে। এতে কমে যায় গ্যাসের সরবরাহ।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।