চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর কলতাবাজার এলাকার একটি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কলতাবাজার ওয়াসা পানির পাম্প সংলগ্ন এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
মৃত শিক্ষার্থীর নাম রাকিবা (২০)। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২০ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলায়।
মেসের পাশের কক্ষের সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী শৈলী জানান, সারা দিন রাকিবার রুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। রাত ৯টার দিকে রাকিবার এক বান্ধবী এসে দরজায় ধাক্কা দিলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট চেষ্টা করার পর বাড়িওয়ালাকে বিষয়টি জানানো হয়। পরে নিচতলা থেকে এক যুবক এসে হাতুড়ি দিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে রাকিবাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
নিহত শিক্ষার্থীর ভাই নাঈম হোসেন জানান, শনিবার রাতে রাকিবার সঙ্গে সর্বশেষ কথা হয়েছিল। তখন সে মেসে একাই ছিল এবং মাকে জানায় যে তার শরীর ভালো নেই, পরে কথা বলবে। এরপর পরিবারের কারও সঙ্গে তার আর যোগাযোগ হয়নি। রোববার সকালে তার মা একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে রাকিবার বান্ধবীদের বিষয়টি জানান।
কোতোয়ালি থানার সহকারী কমিশনার (এসি) নাজমুল হক বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। এটি আত্মহত্যা কিনা তা এখনও নিশ্চিত না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ফেরদৌস হাসান বলেন, “পুলিশ তদন্তে কাজ করছে এবং পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়েছে। মরদেহ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।”

রাজধানীর কলতাবাজার এলাকার একটি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কলতাবাজার ওয়াসা পানির পাম্প সংলগ্ন এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
মৃত শিক্ষার্থীর নাম রাকিবা (২০)। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২০ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলায়।
মেসের পাশের কক্ষের সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী শৈলী জানান, সারা দিন রাকিবার রুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। রাত ৯টার দিকে রাকিবার এক বান্ধবী এসে দরজায় ধাক্কা দিলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট চেষ্টা করার পর বাড়িওয়ালাকে বিষয়টি জানানো হয়। পরে নিচতলা থেকে এক যুবক এসে হাতুড়ি দিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে রাকিবাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
নিহত শিক্ষার্থীর ভাই নাঈম হোসেন জানান, শনিবার রাতে রাকিবার সঙ্গে সর্বশেষ কথা হয়েছিল। তখন সে মেসে একাই ছিল এবং মাকে জানায় যে তার শরীর ভালো নেই, পরে কথা বলবে। এরপর পরিবারের কারও সঙ্গে তার আর যোগাযোগ হয়নি। রোববার সকালে তার মা একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে রাকিবার বান্ধবীদের বিষয়টি জানান।
কোতোয়ালি থানার সহকারী কমিশনার (এসি) নাজমুল হক বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। এটি আত্মহত্যা কিনা তা এখনও নিশ্চিত না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ফেরদৌস হাসান বলেন, “পুলিশ তদন্তে কাজ করছে এবং পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়েছে। মরদেহ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।