চরচা ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটে দ্রুত ভোট দিতে নিবন্ধিত ভোটারদের অনুরোধ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আজ শনিবার নির্বাচন কমিশনের এক বার্তায় এই অনুরোধ জানানো হয়।
যারা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করেছেন, তাদের ব্যালট পাওয়ার পর ভোট দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ পোস্ট অফিস বা ডাক বাক্সে হলুদ খামটি জমা দিতে বলা হয়েছে। খবর বাসসের।
ইসির বার্তায় বলা হয়, ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ভোটাররা ব্যালট পাওয়ার পর দ্রুত ভোটদান সম্পন্ন করে নির্ধারিত হলুদ খামটি ডাকযোগে পাঠিয়ে দিন। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটের মধ্যে ব্যালট পৌঁছাতে হবে। এই সময়ের পর কোনো ব্যালট পৌঁছালে তা গণনা করা হবে না।
প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান জানান, পোস্টাল ভোট দিতে দেশ ও বিদেশ থেকে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৩ জন অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধিত হয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটে দ্রুত ভোট দিতে নিবন্ধিত ভোটারদের অনুরোধ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আজ শনিবার নির্বাচন কমিশনের এক বার্তায় এই অনুরোধ জানানো হয়।
যারা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করেছেন, তাদের ব্যালট পাওয়ার পর ভোট দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ পোস্ট অফিস বা ডাক বাক্সে হলুদ খামটি জমা দিতে বলা হয়েছে। খবর বাসসের।
ইসির বার্তায় বলা হয়, ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ভোটাররা ব্যালট পাওয়ার পর দ্রুত ভোটদান সম্পন্ন করে নির্ধারিত হলুদ খামটি ডাকযোগে পাঠিয়ে দিন। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটের মধ্যে ব্যালট পৌঁছাতে হবে। এই সময়ের পর কোনো ব্যালট পৌঁছালে তা গণনা করা হবে না।
প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান জানান, পোস্টাল ভোট দিতে দেশ ও বিদেশ থেকে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৩ জন অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধিত হয়েছেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।