চরচা ডেস্ক

আমেরিকার হাওয়াই অঙ্গরাজ্যের কিলাউইয়া আগ্নেয়গিরিতে ৭ নভেম্বর সন্ধ্যা নামতেই খাদ থেকে বের হতে থাকে গলিত লাভা। ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিকাল সার্ভে ইউএসজিএসের লাইভ ক্যামেরায় ধরা পড়ে এই দৃশ্য।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ইউএসজিএস হাওয়াইয়ান ভলকানো অবজারভেটরি অবশ্য আগেই এই তথ্য জানিয়েছিল।
গত ৬ নভেম্বর তারা জানায়, কিলাউইয়া খুব দ্রুতই একটি উচ্চ ফোয়ারা পর্যায়ে প্রবেশ করতে পারে। এই সময়টা ১১ নভেম্বরের মধ্যে হতে পারে।
এর আগেই লাভা বের হতে শুরু করল এই আগ্নেয়গিরি থেকে। আর এখন আগ্নেয়গিরির ভয়ঙ্কর রূপ দেখা যাচ্ছে।
কিলাউইয়া বিশ্বের অন্যতম সক্রিয় আগ্নেয়গিরি। ২০২৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর থেকে পর্যায়ক্রমে বিস্ফোরিত হচ্ছে এটি।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই আমেরিকার বিভিন্ন আগ্নেয়গিরি থেকে শুরু হয়েছে লাভা উদগিরণ। এমন চিত্র দেখা গেছে আলাস্কাতে।
এবার হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে শুরু হয়েছে ভয়াবহতা। এই লাভার উদগিরণ যাতে মাত্রা ছাড়িয়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখছে আমেরিকার ইউএসজিএস।

আমেরিকার হাওয়াই অঙ্গরাজ্যের কিলাউইয়া আগ্নেয়গিরিতে ৭ নভেম্বর সন্ধ্যা নামতেই খাদ থেকে বের হতে থাকে গলিত লাভা। ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিকাল সার্ভে ইউএসজিএসের লাইভ ক্যামেরায় ধরা পড়ে এই দৃশ্য।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ইউএসজিএস হাওয়াইয়ান ভলকানো অবজারভেটরি অবশ্য আগেই এই তথ্য জানিয়েছিল।
গত ৬ নভেম্বর তারা জানায়, কিলাউইয়া খুব দ্রুতই একটি উচ্চ ফোয়ারা পর্যায়ে প্রবেশ করতে পারে। এই সময়টা ১১ নভেম্বরের মধ্যে হতে পারে।
এর আগেই লাভা বের হতে শুরু করল এই আগ্নেয়গিরি থেকে। আর এখন আগ্নেয়গিরির ভয়ঙ্কর রূপ দেখা যাচ্ছে।
কিলাউইয়া বিশ্বের অন্যতম সক্রিয় আগ্নেয়গিরি। ২০২৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর থেকে পর্যায়ক্রমে বিস্ফোরিত হচ্ছে এটি।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই আমেরিকার বিভিন্ন আগ্নেয়গিরি থেকে শুরু হয়েছে লাভা উদগিরণ। এমন চিত্র দেখা গেছে আলাস্কাতে।
এবার হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে শুরু হয়েছে ভয়াবহতা। এই লাভার উদগিরণ যাতে মাত্রা ছাড়িয়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখছে আমেরিকার ইউএসজিএস।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।