চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর ডেমরার কোনাপাড়া এলাকায় উত্তর সিটি করপোরেশনের ময়লার ট্রাকচাপায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার ভোরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতেরা হলেন— ইরাম রেদওয়ান (২৫) ও অপু আহমেদ (২৫)। ইরাম বেসরকারি ইন্ডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের (আইইউবি) ও অপু ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউআইইউ) অনার্স ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
নিহতদের সহপাঠী তাওসিফ জানান, ইরাম ও অপু একটি বিয়ের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান শেষে মোটরসাইকেলে বাসায় ফিরছিল। ডেমরার কোনাপাড়া এলাকায় উত্তর সিটি করপোরেশনের একটি ময়লার ট্রাক তাদের চাপা দিলে তারা গুরুতর আহত হন। পরে খবর পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেলে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রথমে অপুকে এবং এর কিছুসময় পর ইরামকে মৃত ঘোষণা করে।
তাওসিফ জানান, তাদের দুজনের বাসাই চিটাগাং রোড এলাকায়। এই ঘটনায় সিটি করপোরেশনের ট্রাকটিকে স্থানীয়রা আটকে পুলিশে দিয়েছে।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে ওই দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মরদেহ দুটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি ডেমরা থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে।

রাজধানীর ডেমরার কোনাপাড়া এলাকায় উত্তর সিটি করপোরেশনের ময়লার ট্রাকচাপায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার ভোরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতেরা হলেন— ইরাম রেদওয়ান (২৫) ও অপু আহমেদ (২৫)। ইরাম বেসরকারি ইন্ডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের (আইইউবি) ও অপু ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউআইইউ) অনার্স ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
নিহতদের সহপাঠী তাওসিফ জানান, ইরাম ও অপু একটি বিয়ের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান শেষে মোটরসাইকেলে বাসায় ফিরছিল। ডেমরার কোনাপাড়া এলাকায় উত্তর সিটি করপোরেশনের একটি ময়লার ট্রাক তাদের চাপা দিলে তারা গুরুতর আহত হন। পরে খবর পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেলে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রথমে অপুকে এবং এর কিছুসময় পর ইরামকে মৃত ঘোষণা করে।
তাওসিফ জানান, তাদের দুজনের বাসাই চিটাগাং রোড এলাকায়। এই ঘটনায় সিটি করপোরেশনের ট্রাকটিকে স্থানীয়রা আটকে পুলিশে দিয়েছে।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে ওই দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মরদেহ দুটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি ডেমরা থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।