চরচা ডেস্ক

রাজধানীর ধানমন্ডিতে ফুটপাতে পিঠা খাওয়াকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে এক গাড়ি চালকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রাতে এ ঘটনায় নিহতের নাম রনি খন্দকার (৪৭)। তিনি একটি প্রাইভেট কোম্পানির গাড়িচালক ছিলেন।
পুলিশ জানায়, ধানমন্ডি থানাধীন তিন নম্বর রোডের ফুটপাতে পিঠা বিক্রেতার সঙ্গে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। এতে রনি খন্দকার গুরুতর আহত হন। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রনি খন্দকার বাগেরহাটের চিলমারী উপজেলার শ্যামপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদ খন্দকারের ছেলে। তিনি পরিবারের সঙ্গে হাজারীবাগের বউবাজার এলাকায় বসবাস করতেন।
ধানমন্ডি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহজালাল মিয়া জানান, ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার দুপুরের দিকে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পিঠা খাওয়াকে কেন্দ্র করে পিঠা বিক্রেতার সঙ্গে ঝগড়ার এক পর্যায়ে বিক্রেতা রনির বুকে ও পিঠে ছুরিকাঘাত করে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
রনির ছেলে মো. রায়হান খন্দকার জানান, তার বাবা একজন গাড়িচালক ছিলেন। পিঠা খাওয়াকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে পিঠা বিক্রেতা তার বাবাকে ছুরিকাঘাত করে বলে তারা জানতে পেরেছে। তবে ওই লোকের সঙ্গে তার আগে কোনো শত্রুতা ছিল কিনা, সে বিষয়ে পরিবার কিছু জানে না।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে ফুটপাতে পিঠা খাওয়াকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে এক গাড়ি চালকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রাতে এ ঘটনায় নিহতের নাম রনি খন্দকার (৪৭)। তিনি একটি প্রাইভেট কোম্পানির গাড়িচালক ছিলেন।
পুলিশ জানায়, ধানমন্ডি থানাধীন তিন নম্বর রোডের ফুটপাতে পিঠা বিক্রেতার সঙ্গে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। এতে রনি খন্দকার গুরুতর আহত হন। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রনি খন্দকার বাগেরহাটের চিলমারী উপজেলার শ্যামপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদ খন্দকারের ছেলে। তিনি পরিবারের সঙ্গে হাজারীবাগের বউবাজার এলাকায় বসবাস করতেন।
ধানমন্ডি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহজালাল মিয়া জানান, ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার দুপুরের দিকে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পিঠা খাওয়াকে কেন্দ্র করে পিঠা বিক্রেতার সঙ্গে ঝগড়ার এক পর্যায়ে বিক্রেতা রনির বুকে ও পিঠে ছুরিকাঘাত করে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
রনির ছেলে মো. রায়হান খন্দকার জানান, তার বাবা একজন গাড়িচালক ছিলেন। পিঠা খাওয়াকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে পিঠা বিক্রেতা তার বাবাকে ছুরিকাঘাত করে বলে তারা জানতে পেরেছে। তবে ওই লোকের সঙ্গে তার আগে কোনো শত্রুতা ছিল কিনা, সে বিষয়ে পরিবার কিছু জানে না।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।