চরচা ডেস্ক

মিয়ানমারের কারাগারে বন্দী শান্তিতে নোবেলজয়ী অং সান সু চির স্বাস্থ্য ভালো আছে। মিয়ানমারের জান্তা পরিচালিত গণমাধ্যমে গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে মিয়ানমারের সাবেক নেত্রী সু চির ছেলে কিম অ্যারিস মায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যারিস বলেন, তার মায়ের স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ছে। তার সম্পর্কে অনেক দিন ধরেই তেমন কিছু জানা যাচ্ছে না। তিনি হয়ত মারাও গিয়ে থাকতে পারেন।
মিয়ানমারের জান্তা সরকার পরিচালিত মিয়ানমার ডিজিটাল নিউজের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “অং সান সু চির স্বাস্থ্য ভাল আছে।” তবে তার শারিরীক অবস্থা নিয়ে এর চেয়ে বেশি আর কিছু বলা হয়নি বিবৃতিতে। এমনকি সুচির স্বাস্থ্য ভাল থাকার কোনো প্রমাণও জান্তা সরকার দেয়নি।
সু চি বর্তমানে উসকানি, দুর্নীতি ও নির্বাচনি জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। বিভিন্ন মামলায় তার সাজার মোট পরিমাণ ছিল ৩৩ বছর, তবে পরে তা কমিয়ে ২৭ বছর করা হয়েছে।
কিম আরিস মিয়ানমারে জান্তা বাহিনীর আসন্ন নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করলেও তিনি মনে করেন, এটি তার মায়ের দুর্দশা লাঘবের একটি ছোট সুযোগ তৈরি করতে পারে। আগামী ২৮ ডিসেম্বর থেকে এই নির্বাচন ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি এই সুযোগ ব্যবহার করে জান্তার ওপর চাপ সৃষ্টি এবং তার মায়ের মুক্তির আহ্বান জানান।

মিয়ানমারের কারাগারে বন্দী শান্তিতে নোবেলজয়ী অং সান সু চির স্বাস্থ্য ভালো আছে। মিয়ানমারের জান্তা পরিচালিত গণমাধ্যমে গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে মিয়ানমারের সাবেক নেত্রী সু চির ছেলে কিম অ্যারিস মায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যারিস বলেন, তার মায়ের স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ছে। তার সম্পর্কে অনেক দিন ধরেই তেমন কিছু জানা যাচ্ছে না। তিনি হয়ত মারাও গিয়ে থাকতে পারেন।
মিয়ানমারের জান্তা সরকার পরিচালিত মিয়ানমার ডিজিটাল নিউজের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “অং সান সু চির স্বাস্থ্য ভাল আছে।” তবে তার শারিরীক অবস্থা নিয়ে এর চেয়ে বেশি আর কিছু বলা হয়নি বিবৃতিতে। এমনকি সুচির স্বাস্থ্য ভাল থাকার কোনো প্রমাণও জান্তা সরকার দেয়নি।
সু চি বর্তমানে উসকানি, দুর্নীতি ও নির্বাচনি জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। বিভিন্ন মামলায় তার সাজার মোট পরিমাণ ছিল ৩৩ বছর, তবে পরে তা কমিয়ে ২৭ বছর করা হয়েছে।
কিম আরিস মিয়ানমারে জান্তা বাহিনীর আসন্ন নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করলেও তিনি মনে করেন, এটি তার মায়ের দুর্দশা লাঘবের একটি ছোট সুযোগ তৈরি করতে পারে। আগামী ২৮ ডিসেম্বর থেকে এই নির্বাচন ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি এই সুযোগ ব্যবহার করে জান্তার ওপর চাপ সৃষ্টি এবং তার মায়ের মুক্তির আহ্বান জানান।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।