চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর ধানমন্ডিতে শ্বাশুড়ি ও গৃহকর্মীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় ওই বাসার কাজের মেয়েকে ফাঁসির রায় দিয়েছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তাওহীদা আক্তারের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন বলে নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী খলিলুর রহমান (আসাদ)।
ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন, ওই বাসার নতুন কাজের মেয়ে সুরভী আক্তার নাহিদ। তবে একই অভিযোগে খালাস পেয়েছেন বাসার কর্মী বাচ্চু মিয়া। আদালত এই দণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৫ মাসের বিনাশ্রমে কারাদণ্ড দিয়েছেন।
২০১৯ সালের ১ নভেম্বর রাতে শিল্পপতি কাজী মনির উদ্দিন তারিমের শাশুড়ি আফরোজা বেগম এবং তার গৃহকর্মী দিতির রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। তারা ধানমন্ডির ‘লোবেলিয়া হাউজ’ নামের একটি ভবনের পঞ্চম তলার থাকতেন। ওই বাসায় দুজনকেই গলা কেটে হত্যা করা হয়।
আফরোজা যে ফ্ল্যাটে থাকতেন, আর তার উল্টো দিকের ফ্ল্যাট এবং তার ঠিক উপরে ছয়তলার ফ্ল্যাট নিয়ে ডুপ্লেক্সে বাসায় স্বামী-সন্তান নিয়ে থাকেন তার মেয়ে দিলরুবা সুলতানা রুবা। ঘটনার দুদিন পর রুবা মামলাটি দায়ের করেন।
২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পিবিআইয়ের তদন্ত শেষে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমান। একই বছরের ১১ অক্টোবর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ৩২ সাক্ষীর মধ্যে ২৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে শ্বাশুড়ি ও গৃহকর্মীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় ওই বাসার কাজের মেয়েকে ফাঁসির রায় দিয়েছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তাওহীদা আক্তারের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন বলে নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী খলিলুর রহমান (আসাদ)।
ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন, ওই বাসার নতুন কাজের মেয়ে সুরভী আক্তার নাহিদ। তবে একই অভিযোগে খালাস পেয়েছেন বাসার কর্মী বাচ্চু মিয়া। আদালত এই দণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৫ মাসের বিনাশ্রমে কারাদণ্ড দিয়েছেন।
২০১৯ সালের ১ নভেম্বর রাতে শিল্পপতি কাজী মনির উদ্দিন তারিমের শাশুড়ি আফরোজা বেগম এবং তার গৃহকর্মী দিতির রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। তারা ধানমন্ডির ‘লোবেলিয়া হাউজ’ নামের একটি ভবনের পঞ্চম তলার থাকতেন। ওই বাসায় দুজনকেই গলা কেটে হত্যা করা হয়।
আফরোজা যে ফ্ল্যাটে থাকতেন, আর তার উল্টো দিকের ফ্ল্যাট এবং তার ঠিক উপরে ছয়তলার ফ্ল্যাট নিয়ে ডুপ্লেক্সে বাসায় স্বামী-সন্তান নিয়ে থাকেন তার মেয়ে দিলরুবা সুলতানা রুবা। ঘটনার দুদিন পর রুবা মামলাটি দায়ের করেন।
২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পিবিআইয়ের তদন্ত শেষে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমান। একই বছরের ১১ অক্টোবর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ৩২ সাক্ষীর মধ্যে ২৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।